ফাইল ছবি

কলকাতা: গ্যাস কাটার দিয়ে এটিএম কেটে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা লুঠ করে চম্পট দিল দুষ্কৃতিরা। শুক্রবার ভোর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে খোদ কলকাতা শহরের তিলজলায়৷ তদন্তে নেমেছে লালবাজারের গোয়েন্দারা৷

পুলিশ সূত্রে খবর, তিলজলা থানা এলাকার সিএন রায় রোডে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের একটি এটিএম কিয়স্কে আগুন লাগে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের ১টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে৷ কিন্তু তারপরই দেখা যায় এটিএম মেশিনটি গ্যাস কাটার দিয়ে কাটা৷ ফলে খবর দেওয়া হয় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে৷ তার এসে দেখেন প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা লুঠ হয়েছে এটিএম থেকে৷

পুলিশ আরও জানিয়েছে, তিলজলার ওই কিয়স্কে কোনও নিরাপত্তারক্ষী ছিল না৷ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের গোয়েন্দারা৷ কিয়স্কের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা৷

দু’দিন আগে একই কায়দায় গ্যাস কাটার দিয়ে এটিএম মেশিন ভেঙে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা লুঠ করে চম্পট দেয় দুষ্কৃতিরা৷ ঘটনাটি ঘটেছে গ্রামীণ হাওড়ার এলাকায়৷

পুলিশ সূত্রে খবর,গ্রামীণ হাওড়ার বাগনানের বড়োপোল এলাকায় ব্যাঙ্ক অফ বরোদার একটি শাখা রয়েছে। সেই শাখার পাশেই সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কটির একটি এটিএম রয়েছে। গত মঙ্গলবার সকালে এটিএম মেশিনের নিম্নাংশটি কাটা অবস্থায় দেখতে পান প্রাতঃভ্রমণকারীরা। খবর দেওয়া হয় বাগনান থানায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে বাগনান থানার পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটা কোনো অভিজ্ঞ ডাকাত দলের কাজ। তারা গ্যাস কাটার দিয়ে মেশিনের নীচের অংশ কাটে। তারপর সেখানে থাকা টাকা নিয়ে চম্পট দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, রাত ১ টা থেকে ২ টোর মধ্যে এই অপারেশন করেছে দলটি।

সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে মাত্র ১২ মিনিটের মধ্যে তারা এই মেশিন কাটা এবং সেখান থেকে টাকা লুট করে নেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে। জনা চারেক এই অপারেশনে অংশ নিয়েছিল বলে জানা গেছে । তবে এই ঘটনার সঙ্গে বাইরের কোনো দল নাকি স্থানীয় কারো সংযোগ রয়েছে তা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.