বর্ধমান: করোনা আতঙ্কে দেশ কাঁপছে। তার মধ্যে অবশ্য বিরাম নেই এটিএম প্রতারণার। সোমবার এটিএম প্রতারণার শিকার হয়েছেন বর্ধমান শহরের দুই বাসিন্দা। এটিএমের তথ্য জেনে নিয়ে তাঁদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিজোগ উঠেছে হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বর্ধমান থানার মিরছোবা দক্ষিণের বাসিন্দা শেখ গেনি সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ একটি ফোন পান। ব্যাংকের অফিসার পরিচয় দিয়ে ফোন করে এক ব্যক্তি তাঁকে তাঁর এবং স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানায়। স্ত্রীর এটিএম কার্ডের ১৬ ডিজিটের নম্বর বলতে বলা হয় তাঁকে। না হলে তাঁর ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে বলে জানানো হয়। সরল বিশ্বাসে তিনি স্ত্রীর এটিএম কার্ডের নম্বর বলে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মোবাইলে ওটিপি আসে। সেটিও তিনি বলে দেন। এরপরই তাঁর স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৬ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

একইভাবে প্রতারিত হয়েছেন শহরের কানাইনাটশালের বাসিন্দা উজ্জ্বল রায়। ওইদিনই সকালে তাঁর মোবাইলে ফোন আসে। গ্যাসের পেমেন্ট করার জন্য তাঁকে এটিএম কার্ডের নম্বর দিতে বলা হয়। তিনি তা দেন। এরপর তাঁর মোবাইলে আসা ওটিপি জানতে চাওয়া হয়। সেটিও তিনি বলে দেন। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে দু’দফায় ১৩ হাজার ৯৯৯ টাকা তুলে নেওয়া হয়।

দুটি ঘটনায় মোট ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা টাকা তুলে নেওয়া হয়। ঘটনার কথা প্রতারিতরা বর্ধমান থানায় জানিয়েছেন। তার ভিত্তিতে কেস রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। বর্ধমান থানার এক অফিসার বলেন, এটিএমের তথ্য না দেওয়ার জন্য এত প্রচার হয়েছে। তারপরও মানুষ এটিএমের তথ্য দিচ্ছেন। মানুষ সচেতন না হলে পুলিশের পক্ষে প্রতারণার ঘটনা বন্ধ করা সম্ভব নয়। দু’টি ঘটনার তদন্তে সাইবার থানার সাহায্য নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ