পানাজি: আইএসএলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ব্যাম্বোলিমে আজ নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের মুখোমুখি এটিকে মোহনবাগান। এসিএল খেলার দৌড়ে এগিয়ে থাকা আন্তোনিও হাবাসের বাগান শেষ ম্যাচে হেরে লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ খুঁইয়েছে। কিন্তু সেই সুযোগ নষ্টের প্রভাব সেমিফাইনালে যাতে না পড়ে সেদিকে নজর স্প্যানিশ কোচের। উলটোদিকে খালিদ জামিলের ছোঁয়ায় বদলে গিয়েছে নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড।

লিগের শেষ ১০ ম্যাচে অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছে হাইল্যান্ডাররা। যার মধ্যে শেষ ৯টি ম্যাচে দায়িত্ব সামলেছেন খালিদ। তবে তাঁর ছোঁয়ায় দল বদলে গিয়েছে, একথায় বিশ্বাসী নন খালিদ। সমস্ত কৃতিত্ব দিচ্ছেন ফুটবলারদের। খালিদের কথায়, ‘প্রত্যেক ফুটবলার ভীষণ পরিশ্রম করেছে। আর সে কারণেই আমরা আজ এখানে। শেষ ন’টা ম্যাচ দিয়ে কিছু হয়নি, যা হয়েছে শুরু থেকে। ছেলেরা ভীষণ পরিশ্রম করেছে আর আমি ওদের কোচ হিসেবে গর্ববোধ করছি।’

তবে সেমিফাইনাল যুদ্ধ সবসময়ই আলাদা, আর নামটা যখন এটিকে-মোহনবাগান। হাবাসের বিরুদ্ধে মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে নামার আগে খালিদ জানাচ্ছেন, ‘আমরা একটা ভালো দলের বিরুদ্ধে খেলতে চলেছি। এটিকে মোহনবাগান রক্ষণাত্মকভাবে ভীষণ শক্তিশালী। পাশাপাশি আক্রমণও ধারালো ওদের। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে কারণ প্রথম লেগটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিগের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ হতে চলেছে এটা। তাই আমাদের প্রস্তুত এবং শক্তিশালী হয়েই মাঠে নামতে হবে।’ খালিদ বাড়তি সতর্ক বাগানের ফিজি স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণাকে নিয়ে।

একইভাবে হাবাসের গলাতেও নর্থ-ইস্টকে নিয়ে ব্যাপক সমীহ। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চোটের কারণে আবার সন্দেশ ঝিঙ্গানকে হাবাস পাচ্ছেন না হাবাস। লিগের শেষ ম্যাচে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। পুরোপুরি ফিট হওয়ার আগে অনুশীলনে ফের চোট পাওয়ায় ভারতীয় দলের প্রাইম ডিফেন্ডারকে নিয়ে ঝুঁকি নেওয়ার জায়গায় নেই বাগান কোচ। যারা আছেন তাদের নিয়েই লড়তে চান দু’বারের আইএসএল জয়ী কোচ।

লিগের দ্বিতীয় পর্বে সাড়া জাগানো নর্থ-ইস্টকে নিয়ে বলতে গিয়ে হাবাস জানিয়েছেন, ‘নর্থ-ইস্টের জন্য চলতি আইএসএল মরশুমটা দুর্দান্ত। ওরা প্রতিপক্ষ হিসেবে ভীষণ কঠিন। রক্ষণ, মাঝমাঠের সঙ্গে আক্রমণেও ওদের ভালো ফুটবলারের ছড়াছড়ি। ওরাও ছেড়ে কথা বলবে না, মাঠে ১০০ শতাংশ উজাড় করে দেবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।