পানাজি: শনিবার জামশেদপুরের কাছে হেরে বাগানের ডার্বি জয়ের আনন্দ যেন দ্বিগুণ করে দিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে এটিকে মোহনবাগানের থেকে পাঁচ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছে সার্জিও লোবেরার মুম্বই। অর্থ্যাৎ, লিগ শেষ হওয়ার ঠিক দু’ম্যাচ আগে লিগ শিল্ড উইনারের দাবিদার হিসেবে ব্যাপক অ্যাডভান্টেজ হাবাসের বাগান। আর সোমবারই হায়দরাবাদকে হারিয়ে জল্পনায় দাড়ি টেনে দিতে চান রয় কৃষ্ণারা।

কারণ হায়দরাবাদকে সোমবার হারালে ১৯ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে এমন জায়গায় পৌঁছে যাবে সবুজ-মেরুন, শেষ দু’ম্যাচ জিতলেও সেখানে পৌঁছতে পারবে না আইল্যান্ডাররা। কারণ ১৮ ম্যাচ পর ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত মুম্বইয়ের চেয়ে পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে কৃষ্ণা-প্রীতমরা। আর লিগ শীর্ষ চূড়ান্ত হলেই লিগ শিল্ড উইনার হিসেবে আগামী মরশুমে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলার ছাড়পত্র পাবে বাগান। এফসি গোয়ার পর দ্বিতীয় ভারতীয় ক্লাব হিসেবে বাগানের মুকুটে জুড়বে নয়া পালক।

তাই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সাবধানী হাবাস। কারণ হায়দরাবাদও টপ-ফোরে ফিনিশ করার জন্য যে ছেড়ে কথা বলবে না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত আইএসএলের চাণক্য। তাছাড়া গত মরশুমে একেবারে তলানিতে শেষ করার পর চলতি মরশুমে ম্যানুয়েল রোকার প্রশিক্ষণে হায়দরাবাদ যেন ডার্ক-হর্স রূপে জাহির করেছেন নিজেদের। নিজামদের বিরুদ্ধে নামার আগে রোকার দলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে পরোক্ষে নিজের দলকে সাবধানী করেছেন বাগানের স্প্যানিশ কোচ।

হাবাস জানিয়েছেন, ‘হায়দরাবাদের জন্য মরশুমটা দারুণ গিয়েছে। ওদের বিরুদ্ধে জয়ের জন্য আমাদের আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। আক্রমণ এবং রক্ষণের মধ্যে একটা দারুণ সমতা রয়েছে ওদের দলে। ওরা চলতি টুর্নামেন্টে নিজেদের পারফরম্যান্সে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।’ কম যান না হায়দরাবাদ কোচ রোকাও। বাগানের বিরুদ্ধে নামার আগে হাবাসের কোচিং থেকে শুরু করে কৃষ্ণার ক্যারিশমার স্তুতি রোকার গলায়।

রোকা জানিয়েছেন, ‘এটিকে মোহনবাগান যে লিগের সেরা দল সন্দেহ নেই। হাবাস ওদের যে স্টাইলে খেলাচ্ছেন সেই স্টাইলে খেলার জন্য উপযুক্ত সব ফুটবলার রয়েছে ওই দলে। লেনি রডরিগেজ এবং মার্সেলিনহোর যোগদান ওদের আরও পোক্ত করেছে।’ আর কৃষ্ণাকে নিয়ে রোকার মত, ‘আমার মতে ও লিগের সেরা স্ট্রাইকার।’ উল্লেখ্য, গত ১০ ম্যাচে অপরাজিত হায়দরাবাদের ঝুলিতে ১৮ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট। বাগানকে হারালে টপ-ফোরের রাস্তা আরও সুগম হবে নিজামদের। হারলে ঠিক উলটোটা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।