পানাজি: আইএসএলের মঞ্চে প্রথম ডার্বি। ঐতিহাসিক সেই ডার্বি জয়ের আনন্দে ম্যাচের পর মোহনবাগান মাঠে সবুজ-মেরুন রং’য়ের মশাল আর পতাকায় চলেছে দেদার সেলিব্রেশন। আইএসএলে প্রথম ডার্বি যুদ্ধ জিতে তৃপ্ত সবুজ-মেরুন সমর্থকেরা বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের মতো করে সেলিব্রেশনে মেতেছেন। তাহলে ফুটবলাররাই বা বাদ যান কেন।

যদিও আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের কড়া নির্দেশ ছিল যেটুকু সেলিব্রেশন করার সেটা যেন শুক্রের রাতের মধ্যেই যেন সারা হয়ে যায়। কারণ শনিবার সকাল থেকেই হাবাস তাঁর গোটা দলের মাথায় ওডিশা ম্যাচের ভূত চাপিয়ে দিতে চান। তাই শুক্রবার স্টেডিয়াম থেকে হোটেলে ফেরার সময় টিম বাসে চুটিয়ে মজা করে নিলেন প্রীতম কোটালরা। এটিকে-মোহনবাগানের এই দলটায় নয় নয় করে বাঙালি ফুটবলারদের কমতি নেই। প্রীতম ছাড়াও, শুভাশিস, প্রণয়, প্রবীর প্রত্যেকেই যে ডার্বির পালসটা দারুণ বোঝেন।

এটিকে-মোহনবাগানের মিডিয়া টিমের সৌজন্যে শুক্রবার ম্যাচের পর সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলোতে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। যেখানে দেখা যাচ্ছে টিম বাসে বসে হোটেলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রীতমরা আর বাসে সেই সময় বাজছে ‘চিরকাল রেলায় আছে থাকবে মোহনবাগান’ গানটি। আর উচ্ছ্বাসে সেই গানে ফাটিয়ে গলা মেলাচ্ছেন এটিকে-মোহনবাগানের বাঙালি ফুটবলাররা। দলের ফুটবলারদের এই সেলিব্রেশনের ভিডিও দেখে উৎফুল্ল সবুজ-মেরুন সমর্থকেরা।

উল্লেখ্য, রয় কৃষ্ণা এবং মনবীর সিং’য়ের জোড়া গোলে শুক্রবার আইএসএলের প্রথম কলকাতা ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলকে ২-০ গোলে হারিয়েছে এটিকে-মোহনবাগান। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইস্টবেঙ্গল নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার আগেই গোল করে যান রয় কৃষ্ণা। প্রথমার্ধে রক্ষণকে ভরসা দেওয়া ড্যানি ফক্স-স্কট নেভিল জুটি দ্বিতীয়ার্ধের তিন মিনিটের মধ্যেই আত্মসমর্পণ করেন ফিজি স্ট্রাইকারের কাছে। জয়েশ রানে হয়ে জাভি হার্নান্দেজের আয়ত্ত থেকে বেরিয়ে যাওয়া একটি ইস্টবেঙ্গলের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বক্সের বাইরে জমা পড়ে কৃষ্ণার পায়ে। বাঁ-পায়ের বুলেট শটে সেই শট জালে জড়িয়ে দেন কৃষ্ণা।

ম্যাচ শেষের কয়েকমিনিট আগে নারায়ণের থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে একক দক্ষতায় গোল করে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচে ফেরার আশায় জল ঢেলে দেন মনবীর। প্রতি-আক্রমণে ডানপ্রান্ত বরাবর বল ধরে বিপক্ষ পেনাল্টি বক্সে প্রবেশ করেন পঞ্জাব স্ট্রাইকার। এরপর ঠান্ডা মাথায় বাঁ-পায়ের কোনাকুনি শটে বল জালে রাখেন মনবীর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।