পানাজি: রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ চলতি আইএসএলে নতুন কোনও ঘটনা নয়। এসসি ইস্টবেঙ্গল ইতিমধ্যেই দু’বার ফেডারেশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করে ফেলেছে। এবার একই পথের শরিক হল পড়শি এটিকে-মোহনবাগান। মঙ্গলবার নর্থ-ইস্ট ম্যাচের পর রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ শোনা গিয়েছিল কোচ আন্তোনিও হাবাসের গলায়। পরদিন রেফারির ভুল সিদ্ধান্তের ভিডিও ফুটেজ জমা দিয়ে ফেডারেশনের কাছে অভিযোগ নথিভুক্ত করল সবুজ-মেরুন।

মঙ্গলবার ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে নর্থ-ইস্টের প্রথম গোলের পরেই লাইন্সম্যানের কাছে অভিযোগ নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন বাগান ফুটবলাররা। ৬০ মিনিটে লুইস মাচাদো প্রথম গোলের আগে এটিকে-মোহনবাগান ডিফেন্ডার তিরিকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে বলের দখল নেন। যা দেখে লাইন্সম্যান ফ্ল্যাগ উঠিয়েও নামিয়ে নেন। বলা চলে রেফারির বদান্যতায় ওই মুভমেন্ট থেকে গোল তুলে নিয়ে ম্যাচে এগিয়ে যায় হাইল্যান্ডাররা। এটিকে-মোহনবাগানের তরফে ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ অভিযোগ আকারে জমা পড়েছে ফেডারেশনে। একইসঙ্গে খোলা চিঠিতে রেফারিং নিয়ে কড়া বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

আরেকটি ক্ষেত্রে নর্থ-ইস্ট বক্সে স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণাকে অবৈধভাবে ফেলে দেওয়ার পরেও কলকাতার দলকে পেনাল্টি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিশ্চুপ ছিলেন রেফারি ক্রিস্টাল জন। সেই বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে অভিযোগে। এই দু’টি সিদ্ধান্ত এটিকে-মোহনবাগানের পক্ষে গেলে বদলে যেতেই পারত ম্যাচের ফল। কিন্তু না হওয়ায় ম্যাচ হেরে শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েছে বাগান। মুম্বইয়ের থেকে ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েছে হাবাসের দল। রেফারিং নিয়ে ম্যাচের পর একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন এটিকে-মোহনবাগানের অন্যতম বোর্ড অফ ডিরেক্টর দেবাশিস দত্ত। তাঁর কথায়, টপ টিয়ার লিগে এমন রেফারিং চলতে থাকলে ভারতীয় ফুটবল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে ফুটবলপ্রেমীরা।

অথচ এটিকে-মোহনবাগানের অভিযোগ জানানোর ঘটনাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন না ফেডারেশন সভাপতি কুশল দাস। সর্বস্তরে রেফারিদের থেকে আরও পেশাদারিত্ব প্রত্যাশা করা হলেও ফেডারেশন সভাপতি পরোক্ষে যেন রেফারিদেরই সমর্থন করেছেন। তাঁর কথায়, ‘রেফারিদের কাঠগড়ায় তোলার বিষয়টি খুব সহজ। এমন চিঠি প্রায় প্রত্যেকদিনই আমাদের কাছে পৌঁছচ্ছে। কিন্তু বায়ো-বাবলে অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে কম সংখ্যক রেফারিদের নিয়ে কতটা সুষ্ঠভাবে যে লিগ আয়োজিত হচ্ছে, সেটা কারও মাথায় নেই।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।