কলকাতা: ঘোষিত হল এএফসি কাপের গ্রুপ বিন্যাস। গত মরশুমে মোহনবাগান আইলিগ জেতার সুবাদে নয়া এন্টিটি এটিকে-মোহনবাগান সরাসরি এএফসি কাপের মূলপর্বে অংশ নেবে। তাই নজর ছিল এএফসি কাপের গ্রুপ বিন্যাসের দিকে। গ্রুপ বিন্যাস ঘোষণা হওয়ার পর দেখা গেল অপেক্ষাকৃত সহজ গ্রুপে থেকেই এএফসি কাপে অভিযান শুরু করবে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল।

ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত না হলেও আগামী ১৪মে থেকে শুরু হবে এএফসি কাপের গ্রুপ ‘ডি’র (সাউথ জোন) খেলা। রাউন্ড রবিন লিগে চ্যাম্পিয়ন দল সুযোগ করে নেবে নক-আউট পর্বে। এটিকে-মোহনবাগান ছাড়াও এএফসি কাপে যোগ্যতাঅর্জনের অপেক্ষায় বেঙ্গালুরু এফসি। এটিকে এবং মোহনবাগানের সংযুক্তিকরণের কারণে গত আইএসএলে তৃতীয় স্থানাধিকারী দল হিসেবে যোগ্যতাঅর্জন পর্ব বা প্লে-অফ খেলার সুযোগ পেয়েছে বেঙ্গালুরু। অর্থাৎ, প্লে-অফের মধ্যে দিয়েই মূলপর্ব নিশ্চিত করতে হবে তাদের। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল প্লে-অফ খেলে যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে গ্রুপ ‘ডি’র চতুর্থ দল হতে পারেন সুনীল ছেত্রীরাই।

যদিও গ্রুপের বাকি দু’টি দল বাংলাদেশের বসুন্ধরা স্পোর্টস এবং মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস ক্লাব খুব একটা কঠিন প্রতিপক্ষ কখনোই নয় এটিকে-মোহনবাগানের জন্য। চলতি মরশুমে রাউন্ড রবিন লিগে একটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এবং জৈব নিরাপত্তা বলয়ে থেকেই ম্যাচগুলি খেলতে হবে রয় কৃষ্ণা-সন্দেশ ঝিঙ্গানদের। গত মরশুমে কোভিডের কারণে বাতিল হয়ে গিয়েছিল এএফসি কাপ।

এএফসি কাপের পাশাপাশি ঘোষিত হল এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ বিন্যাসও। গত মরশুমে আইএসএলের লিগ শিল্ড উইনার হিসেবে চলতি মরশুমে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ইতিহাস গড়েছে এফসি গোয়া। ভারতের প্রথম ক্লাব হিসেবে এই নজির গড়েছে তারা। তবে গ্রুপ পর্বে পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে গৌর’দের জন্য। কারণ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গ্রুপ ‘ই’তে এফসি গোয়ার বাকি দুই প্রতিপক্ষ ইরানের ফুটবল পাওয়ার-হাউস পার্সেপোলিস এবং কাতারের আল রায়ান ক্লাব। চতুর্থ দল হিসেবে এই গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত হবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আল ওয়াহদা বনাম ইরাকের আল জাওরার মধ্যে বিজয়ী দল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।