কলকাতা : নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপি-র প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায় দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। আর এর পরেই তথাগত রায়কে (Tathagata Ray) এবার দিল্লিতে তলব করলেন বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ট্যুইট করে তথাগত রায় এই কথা জানান। পাশাপাশি তথাগত রায় জানিয়ে দেন, তিনি এখন দিল্লি যেতে পারছেন না। তাঁর করোনা হয়েছে।

বিজেপি-র প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিল্লির ডাক পেলেও যে থামতে নারাজ সেটা তিনি বৃহস্পতিবারও বুঝিয়ে দিয়েছেন। তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নজিরবিহীনভাবে তৃণমূলীদের ও অভিনেতাদের যোগ দেওয়াতে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন। কেন এদের প্রার্থী করা হয়েছে সেই বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন। কেন বিজেপি-র একঝাঁক অভিনেত্রী প্রার্থী মদন মিত্রর সঙ্গে দোলের দিন নৌকা বিহারে গিয়েছিলেন? তা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তথাগত রায়ের বক্তব্য, “৮০-র দশক থেকে যারা প্রাণপাত করে বিজেপি করেছেন তাঁদের নির্বাচনী যুদ্ধের থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে বিজেপির কিছু নেতা।” আর এখানেই তথাগত রায়ের প্রতিবাদ। তথাগত রায়ের এই অভিযোগ থেকে বাদ যায়নি বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তিনি বহিরাগত প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “বাঙালি ভাষার দিক থেকে স্পর্শকাতর। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেনন,দিলীপ ঘোষরা সঠিক ভাষা দিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছতেই পারেননি। চোখের সামনে এবার বিজেপি-র কবর খনন করা হয়েছে।”

তৃণমূল ছেড়ে যারা বিজেপিতে এসে রাতারাতি প্রার্থী হয়ে গেছেন তাদের বেশিরভাগই পরাজিত হয়েছেন। তথাগতবাবুর বক্তব্য, “তৃণমূলের জঞ্জালদের এভাবে দলে এনে দলকে কবর দেওয়া হয়েছে।” কেন এদের চার্টার্ড বিমানে করে উড়িয়ে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে? সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তথাগত রায় বলেন, “দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) , কৈলাস বিজয়বর্গীয় (Kailash Bijaybargia), শিবপ্রকাশ (Shivprakash), অরবিন্দ মেননের (Arvind Menon) মতো নেতাদের বাংলার মানুষের ভাষার প্রতি স্পর্শকাতরতা বোঝার ক্ষমতা নেই।” এমন কী এই নেতাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তথাগত রায়। তিনি বলেছেন, “দিল্লির নেতৃত্ত্বদের ভুল বুঝিয়েছেন দিলীপ ঘোষ, কৈলাসবিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, শিবপ্রকাশরা। এমনকী ৭৭টি আসন পেয়ে বিজেপি নেতৃত্ব বগল বাজাচ্ছে বলেও তিনি কটাক্ষ করেন। তিনি বলরেন, ” এইট পাশ করা নেতারা নেতৃত্ব দিলে আর এর চেয়ে কী ভালো হবে?”

আরও পড়ুন  বিধানসভায় বিধায়কদের প্রথম দফার শপথ গ্রহণ শুরু, শেষ দফার শপথ শুক্রবার

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.