নয়াদিল্লি: ১৯৭৫ সালের ২৫জুন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন৷ সমগ্র দেশে তার প্রভাব পড়ে৷ কিন্তু তার থেকেও বেশি চর্চার কেন্দ্রে জায়গা করে নিয়েছিল নির্বীজকরণ৷ এমারজেন্সি রাজনীতির বাইরে জনগণের ব্যক্তিগত জীবনেও প্রবেশ করে সেসময়৷

ঘরে ঘরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়৷ তবে এই নির্বীজকরণের সিদ্ধান্ত ইন্দিরার সরকার নিলেও তা লাগু করার দায়িত্ব ছিল ছোট ছেলে সঞ্জয় গান্ধীর ওপর৷ একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, সেসময় সমগ্র দেশে ৬০ লক্ষেরও বেশি নির্বীজকরণ হয়৷ এর মধ্যে ১৬ বছরের কিশোর থেকে ৭০ বছরের বৃদ্ধরাও ছিলেন৷

এই সময় অটল বিহারী বাজপেয়ী নির্বীজকরণ নিয়ে একটি কবিতা লিখেছিলেন৷

সেই কবিতাটি হল-
আও! মর্দ নামর্দ বনো
মর্দো নে কাম বিগাড়া হ্যায়
মর্দো কো গয়া পছাড়া হ্যায়ঝগড়ে-ফসাদ কি জড় সারে
জড় সে হি গয়া উখাড়া হ্যায়

মর্দো কি তুতি বন্দ হুই
অওরত কা বজা নাগাড়া হ্যায়
গর্মি ছোড়ো অব সর্দ বনো
আও মর্দ, নামর্দ বনো



চৌকড়ি ভুল, চৌকা দেখো
চুলহা ফুঁকো, মৌকা দেখো
চলতি চক্কি কে পাটো মে
পিসতি জীবন নৌকা দেখো
ঘর মে হি লুটিয়া ডুবি হ্যায়
চুটিয়া মে হি ধোখা দেখো
তুম কলা নহি নহি বস খুর্দ বনো
আও মর্দ, নামর্দ বনো