স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: ফের রাতের শহরে দুষ্ক্রীতদের তাণ্ডবের ঘটনা ঘটল ভাটপাড়ায়। দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে গভীর রাতে গুলিবদ্ধ হলেন এক বাইক চালক। ছিনতাইবাজদের হাতে আক্রান্ত ওই বাইক চালকের নাম বিভুতি ঘোষ (৪৮)।

পেশায় একজন বেসরকারির সংস্থার কর্মী বিভুতি বাবুর রবিবার গভীর রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন সেই সময় দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন তিনি। দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম নিয়ে এই ঘটনায় পুলিশের কাছে ঘোষ পরিবারের তরফে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ভাটপাড়া থানার পুলিশ।

পুলিশ এবং পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় বেসরকারি সংস্থার কর্মী বিভুতি বাবু প্রতিদিনের মতই রবিবার গভীর রাতে কাজ সেরে বাইক চালিয়ে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময় কাকিনাড়ার ভাটপাড়া থানার অন্তর্গত কুতুবপুর এলাকায় ছিনতাই বাজদের কবলে পড়েন তিনি।

জানা গিয়েছে, কাজ থেকে বাড়ি ফেরার সময় গভীর রাতে ছিনতাই বাজরা তাকে ঘিরে ধরে। প্রথমে তার মোবাইল ফোন,টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।এরপরে নতুন মোটর বাইক ছিনিয়ে নিতে গেলে বাধা দিতে আসেন বিভুতি বাবু। তখনই দুষ্কৃতীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তার পেটে গুলি লাগে। পরপর দুটি গুলি চালায় ওই দুষ্কৃতীরা। যদিও ঘটনার পর দুষ্কৃতীরা বিভূতি বাবুর মোটর বাইক নিয়ে যেতে পারেনি বলে।

এদিকে ঘটনাস্থলের কাছেই বাইকটি রেখে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ অবস্থাতেই বিভূতি বাবু তার বাড়িতে ফোন করে শুধু তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথাটা জানান। এরপরই ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারান তিনি। এদিকে গুলি চলার শব্দে স্থানীয়রা ছুটে এসে বিভূতি ঘোষকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে কল্যাণীর জে এন এম হাসপাতালে নিয়ে ভরতি করে। সেখানেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিভূতি বাবু।

ভাটপাড়া থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাতায়াতকারী নিত্য যাত্রীরা। কারণ নিত্যযাত্রীদের মতে, দিনে দিনে দুষ্কৃতীদের স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়ে উঠেছে এই কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে। তারা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ভাটপাড়া থানার পুলিশ।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।