গোয়ালপোখর : পঞ্চম পর্বের নির্বাচনের আগে রাজ্যে প্রচারে এসে বিজেপি ও তিনি তৃণমূলকে এক বপিন্ধনীতে ফেলে একহাত নিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। গোয়ালপোখরে বুধবার দলীয় প্রার্থীর জন্য সভা করেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, “বাংলায় বিজেপি আসলে আগুন জ্বলবে। এটা হতে দেবেন না।” এছাড়াও করোনা প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধী বলেন, “করোনার সময় পরিযায়ী শ্রমিকরা পায়ে হেঁটে ঘরে ফিরতে গিয়ে যখন মারা যাচ্ছেন তখন প্রধানমন্ত্রীর পরিচিত বন্ধু ব্যবসায়ীদের মুনাফা বেড়েছে। কৃষকদের ওপর অত্যাচার নেমে এসেছে। ছোট ব্যবসায়ী, দোকানদাররা বিপদে পড়েছেন। এর পর মোদী, শাহ বলছেন সোনার বাংলা বানাবেন? বিজেপি বাংলা ভাগের চক্রান্ত করছে। করোনা নিয়ে মোদী অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জিএসটি, নোটবন্দি করে মানুষের দুর্দশা বাড়িয়েছেন। করোনা নিয়ে চিন্তিত নয় কেন্দ্র-রাজ্য। আমি তাই বলছি সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীদের জয়ী করুন। আমি বাংলা বাঁচাতে এসেছি।” তবে রাহুলের এদিনের মোদী বিরোধিতায় তেমন জোর ছিল না।

বাংলার উন্নয়নের ইস্যুতে রাহুল গান্ধী নরেন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক বন্ধনীতে নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “মোদী বলছেন সোনার বাংলা করবেন। বাংলার জন্য কী করেছেন মোদী ?”

তবে বিজেপির সঙ্গে জোট প্রসঙ্গ তুলে মমতাকে খোঁচা দিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, “তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির লড়াই শুধু রাজনৈতিক। আর কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপির লড়াই রাজনৈতিক এবং আদর্শগত।” গোয়ালপোখরের সভায় শুরু থেকেই মোদীর বিরুদ্ধে চড়া সুর ছিল রাহুল গান্ধীর। কখনও নোটবন্দি, কখনও জিএসটি, কখনও করোনা, কখনও লকডাউন, কখনও বিভাজন, আবার কখনও আগ্রাসনের অভিযোগ তুলে বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদীকে তুলোধোনা করলেন রাহুল গান্ধী। রাহুল গান্ধী বলেন, “বিজেপি ভোটে জেতার জন্য দাঙ্গা করে। সোনার বাংলা গড়ার নামে ওঁরা বাংলার সংস্কৃতি, ভাষার উপর আক্রমণ করবে। আপনাদের কাছে আবেদন, বিজেপিকে আটকান, আমাদের জোটের প্রার্থীদের জেতান, বাংলাকে বাঁচান।”

তৃণমূল প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধী বলেন, “আপনারা মমতা দিদিকে বাংলা সামলনোর দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কি আপনাদের রোজগার দিয়েছেন? কেউ বলতে পারবে মমতা আপনাদের কোনও উপকার করেছেন? কোনও কাজ দিয়েছেন? দিদি রাস্তা তৈরি করেছেন? কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় গড়েছেন?” তৃণমূলের স্লোগান খেলা হবে প্রসঙ্গ টেনে রাহুল গান্ধীর জিজ্ঞাসা, “কীসের খেলা? আগে বলুন রাস্তা কে বানাবে? খেলতে হলে তো রাস্তা লাগবে তো? কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করুন, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে খেলা হোক । তাই ভেবেচিন্তে আমাদের জোটকে ভোট দিন।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.