বাগদাদ: ইরাকে মার্কিন ফোর্সের উপর রকেট হামলা৷

মার্কিন নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোট দায়েশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরাকি সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে তাজি অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে বেশ কয়েক মাস ধরে ইরাকি সেনা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে৷ এর ফলে ইরাকি বেসে হামলাটি ঘটে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

ইরাকি সামরিক সূত্র উদ্ধৃতি করে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার বাগদাদের উত্তরে তাজি সামরিক ঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি রকেট আঘাত করেছিল। ইরাকি সুরক্ষা বাহিনীর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে কমপক্ষে পাঁচটি সোভিয়েত তৈরি কাতিউশা ধরণের প্রজেক্টিকাল সামরিক ক্ষেত্র আঘাত হানে।

ইরাকি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়েছিল যেখানে মার্কিন কর্মীরা মোতায়েন রয়েছে, কিন্তু আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি৷

রবিবার ইরাকের বালাদ এয়ার বেসের ভিতরে মোট সাতটি মর্টার হামলা করা হয়। অভিযোগ, মার্কিন বাহিনীর তরফে ছোঁড়া হয়েছিল ওই মর্টারগুলি। যার ফলে কমপক্ষে ৪ জন সেনা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

মিলিটারি সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, বেসের ভিতরে রানওয়ের ওপর ওই মর্টার হামলা চালানো হয়। যদিও বড় কোনও ক্ষতি হয়নি। উল্লেখ্য, ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেমানি হত্যার পর আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছে। দুই তরফেই একাধিকবার পরস্পরের তরফে অভিযোগ করেছে।

নতুন বছরের শুরুতে ইরাকে এয়ার স্ট্রাইক করে মার্কিন সেনা৷ ৩ জানুয়ারি ভোররাতে বাগদাদ বিমানবন্দরে হামলায় উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকের মৃত্যু হয়েছে। পরে জানা যায় ইরানের কম্যান্ডার কাশেম সোলেইমানি এবং ইরাকের ডেপুটি হেড হাশেদ-আল-শাবির দলের সেনারা মারা যান৷ বিমানবন্দর লক্ষ্য করে অন্তত চারটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়। বিমানবন্দরে মোতায়েন হাশদ আশ-শাবির দু’টি গাড়ি লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানো হয়।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।