করাচি: পাকিস্তানের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ঘোষণা করা না হলেও সিন্ধ প্রদেশের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এমনটাই জানাচ্ছেন। পাক সংবাদমাধ্যম ‘ডন নিউ’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত সেই সংখ্যা ৫৭ বলে জানা যাচ্ছে।

অন্তত দু’জন ওই দুর্ঘটনায় বেঁচে গিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। মৃতরা প্রত্যেকেই ওই বিমানের যাত্রী ছিলেন নাকি স্থানীয় বাসিন্দা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, লোকালয়ের মধ্যে ভেঙে পড়েছে বিমানটি। ফলে সেইসময় ওই এলাকার মানুষজনেরও মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শাকিল আহমেদ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে ওই বিমান প্রথমে মোবাইল টাওয়ারে ধাক্কা মারে, তারপর বাড়ির উপর ভেঙে পড়ে।

সিন্ধ প্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর জানান, দু’জনকে জীবিত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একজনের নাম জুবের ও অপরজন হলেন জাফর মাসুদ যিনি পাকিস্তানের ব্যাংক অফ পঞ্জাবের প্রেসিডেন্ট।

শুক্রবার পাকিস্তানের জিন্না ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কাছে ভেঙে পড়েছে করাচিগামী একটি বিমান। সেই বিমানে যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে অন্তত ১০০ জন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

জানা যাচ্ছে, ওই বিমানে থাকা এক মডেলেরও মৃত্যু হয়েছে। জারা আবিদ নামে ওই মডেলের মৃত্যুর খবর ইতিমধ্যেই অনেকে জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর বন্ধু ও শুভাকাঙ্খীরা তাঁর মৃত্যুর খবরে শোকাহত।

বিমান ভেঙে পড়ার খবর সামনে আসার পরই বিমানের যাত্রী তালিকা প্রকাশ করা হয়। আর তাতে নাম ছিল জারার। এরপরই তাঁর বন্ধুবান্ধরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। যদিও শোনা যাচ্ছে যে ওই বিমানের কোনও কোনও যাত্রী বেঁচে থাকতে পারেন। এই খবর জানার পর অনেকেই ট্যুইটগুলো ডিলিট করে দেন।

যদিও পাক সাংবাদিক জাইন খান জানান যে জারা আবিদ আর নেই, এ খবর নিশ্চিত। জারার পরিবারলে সমবেদনা জানান তিনি।

কোনও এক জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভেঙে পড়ে বিমানটি। সেখান থেকে হু হু করে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়।

পিআইএ-র মুখপাত্র আব্দুল সাত্তার জানিয়েছেন, Flight 8303 বিমানটি লাহোর থেকে করাচির দিকে উড়ে যাচ্ছিল। করাচিতে অবতরণ করার ঠিক আগেই ভেঙে পড়ে সেটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।