ইসলামাবাদ: চপার ভেঙে পাকিস্তানে মৃত্যু হল কমপক্ষে ছয়জনের৷ জখম ১৩৷শুক্রবার উত্তর পাকিস্তানের গিলগিট শহরে একটি স্কুলের উপর ভেঙে পড়ে চপারটি৷ সেনাবাহিনীর ওই চাপারে বিদেশি কূটনীতিবিদরা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে৷ একটি প্রকল্পের উদ্বোধনে এমআই-১৭ কপ্টারে করে যাচ্ছিলেন তাঁরা৷এদিকে, এই ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়েছে তালিবান৷ক্ষেপণাস্ত্র  দিয়ে কপ্টারটিকে ধ্বংস করার দায় স্বীকার করে নিয়েছে এই জঙ্গি সংগঠন৷প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ তাদের লক্ষ্য থিল বলে দাবি৷। তবে এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে পাক সেনাবাহিনী৷তাদের দাবি করা, যান্ত্রিক গোলযোগের কারণেই দুর্ঘটনা৷

পাক সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আসীম বাজওয়া একটি ট্যুইটার পোস্টে জানান, এই দুর্ঘটনায় দুই পাইলট সহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে৷ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷ নিহতরা ফিলিপিন্স এবং নরওয়েরের দূত বলে জানা গিয়েছে৷স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহতরা এমআই-১৭ চপারে সওয়ার ১১ জন বিদেশি ও ছয় পাক প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন৷ দুটি প্রকল্পের উদ্বোধনে অন্য একটি বিমানে গিলগিট যাচ্ছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ৷এদিন মোট তিনটি বিমান গিলগিটের দিকে যাচ্ছিল৷দু’টি নিরাপদে অবতরণ করলেও একটি ভেঙে পড়ে৷ সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় তাতে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।