File pic

কাবুল : ফের বড়সড় বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল। মঙ্গলবার পরপর দু’টি জোড়া বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৪ জনের। গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্তত ৪৫ জন।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মধ্য আফগানিস্তানের দু’টি পৃথক জায়গায় পরপর দু’টি বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলি বর্ষণ করে জঙ্গিরা। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠনই হামলার দায় স্বীকার করেনি। যদিও এই ধরণের নৃশংস হত্যালীলার তীব্র নিন্দা করেছেন আফগানিস্তানের পুলিশ-প্রশাসন।

এই বিষয়ে আফগান পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে যে, মঙ্গলবার মধ্য আফগানিস্তানের বামিয়ান শহরে দু’টি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১৪ জন। তাঁদের মধ্যে ১ জন ট্রাফিক পুলিশও রয়েছে। এছাড়াও নিহত এবং আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিয়া, হাজারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাসিন্দা।

মৃতদের সংখ্যা নিশ্চিত করে আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র তারিক আরিয়ান বলেছেন, “আমরা বামিয়ানে হওয়া মারাত্মক বিস্ফোরণ কান্ডের তদন্ত শুরু করছি।”

তিনি আরও বলেন, ” এটি একটি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। যেই কাজটি করে থাকুক দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেওয়া হবে।”

যদিও এই ঘটনায় তালিবানরা জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

জানা গিয়েছে, ২০০১ সালে তালিবানরা বামিয়ানের পুরোনো বৌদ্ধ মূর্তিগুলি ক্লিফের মুখের উপর খোদাই করে ফেলেছিল। যা আফগানিস্তানের অন্যান্য অংশ জুড়ে যুদ্ধ শুরু হওয়ার কারণে তুলনামূলকভাবে দ্বন্দ্ব-মুক্ত ছিল।

এছাড়াও বামিয়ান হল একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। যা প্রাচীন গুহাগুলির আবাসস্থল মন্দির, মঠ এবং বৌদ্ধ মঠের চিত্র গুলি তুলে ধরেছে। আর এই প্রদেশটিতে মূলত হাজারা সম্প্রদায়ের লোকেদের বাসস্থান।

এখানে মূলত শিয়া সংখ্যালঘুদের প্রায়শই ইসলামিক স্টেট গ্রুপ এবং তালিবানরা ১৯৯০ এর দশকে উগ্রপন্থীদের দ্বারা চিহ্নিত হয়েছিল।

শুধু তাই নয়, চলতি বছরের মে মাসে হাজারা সম্প্রদায়ের মানুষেরা আরও একটি নৃশংস হত্যা কান্ড দেখেছিলো। সেইসময় কাবুলের একটি হাসপাতাকের প্রসূতি বিভাগে হামলা চালিয়েছিলো দুষ্কৃতীরা। সেদিনের ঘটনায় ৫ জন মা মারা গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছিলো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।