তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: বেজে গিয়েছে একুশের ভোটের বাদ্যি। নীল বাড়ি দখলের লড়াইয়ে জমে উঠেছে ভোটের প্রচার। গোটা রাজ্য সহ বাংলার জেলায় জেলায় চড়ছে ভোটের পারদ। একুশের মাটি শক্ত করতে রাঙামাটির জেলা বাঁকুড়াতেও জমে উঠেছে শাসক বিরোধী উভয় দলের ভোট প্রচার।

সোমবার জয়রামবাটি মাতৃ মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন বাঁকুড়ার কোতুলপুরের তৃণমূল প্রার্থী সঙ্গীতা মালিক। সোমবার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে মিছিল করে মাতৃ মন্দিরে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছে পুজো দেন তিনি। পরে ওই এলাকায় নির্বাচনী প্রচার চালান এই তৃণমূল প্রার্থী।

পরে সঙ্গীতা মালিক বলেন, কোতুলপুর, বাঁকুড়ার ১২ কেন্দ্র সহ সারা রাজ্যে যেন আমাদের দলীয় প্রার্থীরা জয়লাভ করেন, সেই প্রার্থণাই মায়ের কাছে জানালাম। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘উন্নয়ন ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে। সেই উন্নয়নই আমাদের প্রচারের মূল হাতিয়ার’। নারী শক্তির বিকাশে দলনেত্রীর ভূমিকা অনস্বিকার্য। আর তাই তিনি এই কেন্দ্রে নিশ্চিত জয়লাভ করবেন বলেও সঙ্গীতা মালিক আশাবাদী বলে জানান।

অন্যদিকে নিজের গ্রাম করিমপুরে কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে ভোট প্রচার শুরু করলেন সোনামুখীর বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামি। পুজো দেওয়ার পর নিজের সমর্থণে দেওয়াল লেখেন এই বিজেপি প্রার্থী।

গ্রামের মানুষ চাইছেন তাদের ঘরের ছেলেই এই নির্বাচনে জয়লাভ করুক। পূর্ণিমা ঘরামী নামে এক গ্রামবাসী বলেন , তৃণমূলের রাজত্বকালে এই এলাকায় রাস্তা , নদী ভাঙ্গন রোধ কোনও কিছুই হয়নি। তাই আমরা সকলেই চাই নিজের গ্রামের ছেলে দিবাকর ঘরামী জিতুক ।

এই বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিবাকর ঘরামী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে কটাক্ষ করে বলেন , উনি নাকি উন্নয়নের প্রতীক উনি এই বিধানসভা এলাকায় এমন একজন যোগ্য প্রার্থী তৈরি করতে পারেননি যিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে লড়াই করবেন। তাই বাইরে থেকে প্রার্থী নিয়ে এসে সোনামুখীতে দাঁড় করাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে মহিলারা সুরক্ষিত হবে বলেও তিনি দাবি করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.