স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: বাঁদর নিয়ে মাঝে মধ্যে সংবাদ মাধ্যমের খবর নতুন কিছু নয়। বাঁদর যেমন ক্ষেপে গেলে বাঁদরামি ওস্তাদ, তেমনই আবার এই বাঁদরের মধ্যে রয়েছে অনেক ভালো গুণও । যদিও সেগুলি খুব একটা প্রকাশ্যে আসেনা। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের একটি থানায় বাঁদরের পুলিশ অফিসারের মাথার চুল বেছে দেওয়ার ঘটনা বেশ হইচই ফেলে দিয়েছিল খবরে। উত্তর প্রদেশের বাঁদরের এই ভালো গুনের রেশ কাটতে না কাটতে ফের খবরে উঠে এল আরেক বাঁদরের কাহিনী।

জানা গিয়েছে, বাঁদরের বাঁদরামিতে অতিষ্ট বাঁকুড়া জেলার মানুষ।বাঁদরের বাঁদরামিতে অতিষ্ট । সূত্রের খবর, গত কয়েক মাস ধরে এই জেলার বেলিয়াতোড় এলাকা জুড়ে কুঁড়ি- পঁচিশটি বাঁদরের একটি দল দাপিয়ে বেড়াছে। স্থানীয়দের দাবী করে জানিয়েছেন, গত কয়েক মাস ধরে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই কুড়ি-পঁচিশটি বাঁদরের একটি দল। জানা গিয়েছে, কিছু দিন আগেই ওই দলে থাকা একটি বাঁদরের হাতে আক্রান্ত হয়েছিল কয়েক জন গ্রামবাসী। পরে বনদফতর সেই বাঁদরটিকে খাঁচা বন্দী করে। ঐ ঘটনার পর ফের এই এলাকায় বাঁদরের দৌরাত্ম বাড়ায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী। সূত্রের খবর, শনিবার সকালে স্থানীয় কাদাকুলি গ্রামে বাড়িতে রান্না করার সময় রুপা কর্মকার নামে গৃহবধূর চড়াও একটি হয় বাঁদর। গুরুতর আহত অবস্থায় ঐ গৃহবধূ বর্তমানে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এদিকে বাঁদরের হাতে আক্রান্ত গৃহবধূ রুপা কর্মকার বলেন, রান্না করছিলাম। বাড়ি থেকে বেরোতেই একটি বাঁদর তাকে পিছন থেকে জাপটে ধরে বলে তিনি জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সনৎ মাঝি বলেন, ওই ভদ্র মহিলাকে একটি বাঁদর হাতে ও পায়ে কামড়ায়। এর আগেও গ্রামে এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে। গত দু’মাস ধরে বাঁদরের অত্যাচারে অতিষ্ট গ্রামবাসীরা সব সময় লাঠি হাতে চলাফেরার করেন দাবী করেন, বিষয়টি বনদফতরকে জানানো হয়েছে।

এই বিষয়ে বনদফতরের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে আতঙ্কিত হতে নিষেধ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব ওই বাঁদরের দলটিকে এলাকা থেকে অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হবে বলেও জানানো হয়েছে।