প্রতীকী ছবি

দেশ জুড়ে যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় #MeToo তে নিজেদের সঙ্গে ঘটা অত্যাচারের কথা জানিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন মহিলারা, তখনই অন্য এক মানবিক মুখ দেখল দেশবাসী। ক্যাব ড্রাইভার সন্তোষ, প্রিয়স্মিতা গুহ এবং তাঁর মা’কে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার পরও দেড় ঘণ্টা সেখানেই ছিলেন। কারণটা জানলে আপনিও বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন এখনও ভালমানুষ আছে পৃথিবীতে। মানবিকতা এখনও মরেনি।

সন্তোষ যখন দেখেন যে বাড়িতে তারা থাকেন তার দরজা বন্ধ এবং অনেক ডাকাডাকির পরও দরজা খোলেননি কেউ। সন্তোষ অত রাতে ছেড়ে যেতে চাননি তাদের। অপেক্ষা করে এই পচনশীল সমাজকে বার্তা দিয়েছেন এক অচেনা মানুষও একটা সুস্থ সমাজ গড়তে কতটা দায়িত্ব নিতে পারেন তার সহ নাগরিকের প্রতি। এমনকি ছেড়ে যেতে পারবেন না বলে অন্য রাইডও বাতিল করেছেন অবলীলায়।

রাত দশটার পর রাস্তা কেন শুধু পুরুষের হবে? কেন প্রতি পদে ওঁত পেতে থাকবে মেয়েদের জন্য একরাশ ভয়? মেয়েদের কেন সন্ধ্যে নামলেই বাড়ি ফিরে আসতে হবে? তারাও তো পুরুষের মতোই জীবন যাপন করতে পারেন। সেটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু তা তো হয় না।

মানুষ তো মানুষেরই জন্য, সন্তোষের মতো এমন করে সবাই ভাবে কই?