covid 19 vaccine
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন

লন্ডন: শিশুদের উপর অ্যাস্ট্রোজেনেকার করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা স্থগিত হল ব্রিটেনে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে মঙ্গলবার এই খবর জানানো হয়েছে। এছাড়া এই ভ্যাকসিন ব্যবহারে অনেক প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যেও রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

অ্যাস্ট্রোজেনেকার এই ভ্যাকসিন তৈরিতে সাহায্য করেছিল অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে ভ্যাকসিনে সুরক্ষা নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই। কিন্তু রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে ব্রিটেনের মেডিসিনস এবং হেলথ কেয়ার প্রোডাক্ট রেগুলেটরির অতিরিক্ত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে তারা। তবে শিশু ও তাদের বাবা মায়েদের নিয়মিত শিডিউল ভিজিট করতে বলা হয়েছে। যদি তাদের কোনও প্রশ্ন থাকে তাও তারা করতে পারেন। ব্রিটেনে টিকা সংক্রান্ত বিষয়ের নিয়ন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত সেই দেশে ১ কোটিরও বেশি মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩০ জনের রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা দেখা দিয়েছে। তার মধ্যে ৭টি মামলা গুরুতর। তাই এখনই এ নিয়ে বিস্তারিক কিছু বলা সম্ভব নয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অ্যাস্ট্রোজেনেকার এই ভ্যাকসিনকে নিরাপদ বলে জানিয়েছে। কিন্তু বহু দেশ এই টিকাকে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে। অনেকের শরীরে রক্ত তঞ্চনের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাধিক দেশের সরকার। তার মধ্যে রয়েছে জার্মানি ও ফ্রান্স। জার্মানির চ্য়ান্সেলার অ্যাঞ্জেলা মার্কেল বলেছেন, বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি এর থেকে খুব কম পরিমাণে হলেও থ্রম্বোসিসের গুরুতর মামলার সন্ধান পেয়েছেন। জার্মানি ভ্যাকসিন কমিশনের অনুসন্ধান কোনওভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যায় না। জার্মানি ভ্যাকসিন কমিশন জানিয়েছে যে ৬০ বছরের কম বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই টিকা প্রয়োগ না করাই ভাল। কারণ অনুসন্ধানের ফলে দেখা গিয়েছে এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে থ্রম্বোসিস দেখা দিচ্ছে। যদিও এর সংখ্যা অত্যন্ত কম। সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যাঁরা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিতে চলেছেন তাঁরা হয় কমিশনের সুপারিশ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। নয়তো তাঁদের চিকিৎসকদের সম্মতি নিয়ে আসতে হবে। অ্যাংলো-সুইস ল্যাবরেটরি থেকে এই ভ্যাকসিন প্রস্তুতের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।