লন্ডন: আদৌ নিরাপদ তো, প্রশ্ন উঠতেই ট্রায়াল করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বন্ধ করল অক্সফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা। যে স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর হিউম্যান ট্রায়াল চলছিল, তাঁদের মধ্যে একজনের শারীরিক পরিস্থিতিতে কিছুটা সন্দেহজনক পার্থক্য নজরে এসেছে। সেই বিষয়ের ওপর প্রাথমিক ভাবে নজরদারি করতেই ট্রায়াল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অক্সফোর্ড বলে খবর।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট স্ট্যাট নিউজ এই তথ্য প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশ করেছে। স্ট্যাট নিউজ নিজের প্রতিবেদনে অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক মুখপত্রকে উদ্ধৃত করেছে। তিনি বলেছেন ভ্যাকসিনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দিকগুলি খতিয়ে দেখতেই বন্ধ করা হয়েছে ট্রায়াল।

তবে ওই স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে কী ধরণের পরিবর্তন এসেছে বা কী সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেবিষয়ে কোনও পক্ষই মুখ খোলেনি। তবে ওই স্বেচ্ছাসেবক আপাতভাবে সুস্থ হচ্ছেন বলে সূত্রের খবর। তবে ট্রায়াল বন্ধ করে দেওয়ায় বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ভ্যাকসিনের সম্ভাব্য প্রক্রিয়া। কারণ এতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার অন্যান্য ভ্যাকসিনের ট্রায়ালেও প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সহায়তায় প্রস্তুত অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন, ভারত বায়োটেকে ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও আইসিএমআরের যৌথউদ্যোগে পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে প্রস্তুত কো-ভ্যাক্সিন, এবং জাইডাস ক্যাডিলার নির্মিত জাইকোভি-ডি।

ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক পদ্ধতি সম্পর্কে ভার্গভ জানান, ইতিমধ্যেই সিরাম ইনস্টিটিউটের করোনা টিকা দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘বি’ ধাপে রয়েছে, এবং তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম ধাপের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন প্রায় ১৭০০ জন স্বেচ্ছাসেবক। শীঘ্রই ভারত বায়োটেকের ভ্যাকসিন দ্বিতীয় পর্বের ট্রায়াল শুরু করতে চলেছে।

এরই মধ্যে, WHO ও GAVI একটি ভ্যাক্সিন অ্যালায়েন্স তৈরি করেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে Covax Facility. তাদের উদ্দেশ্য, যাতে ভ্যাক্সিন এলে তা বিশ্বের সব দেশ সমানভাবে পায়।

কিন্তু অনেক দেশই নিজেদের সাপ্লাই নিশ্চিত করেছে, ফলে তারা ওই উদ্যোগে সামিল হতে চাইছে না। যেমন, আমেরিকা। Covax নামে এক বিশেষ পদ্ধতি তৈরি করেছে WHO। আর সেই উদ্যোগের মাধ্যমে নজর রাখা হচ্ছে যাতে সারা বিশ্বে সমানভাবে এই ভ্যাক্সিনের বন্টন সম্ভব হয়।

আপাতত ভারতে দৌড়ে রয়েছে তিনটি ভ্যাক্সিন, তা প্রধানমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। দমবন্ধকর পরিস্থিতিতে নতুন আশা দেখাচ্ছে দেশে গবেষণারত করোনার তিনটি ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিন ১৭৫০ জনের শরীরে ট্রায়াল দেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছে আইসিএমআর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.