নয়াদিল্লি : এই মুহুর্তে লাখ টাকার প্রশ্ন। করোনা ভ্যাকসিন কবে পাওয়া যাবে? কিন্তু কোনও দিনই না পাওয়া গেলে? কী করা উচিত? এখন মোটামুটি নিউ নর্মাল জীবনে অভ্যস্ত আমরা। কিন্তু করোনা ভ্যাকসিনের আশা করছেন প্রত্যেকেই। আশঙ্কা এখনও রয়েছে। করোনা ভ্যাকসিন আদৌ মিলবে কিনা, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই। তাই ভিন্ন ভাবনাও মাথায় রাখা উচিত।

করোনা ভ্যাকসিন কখনই না পাওয়া গেলে কীভাবে সুস্থ রাখবেন নিজেকে, তার পথ দেখিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষকরা বলছেন, যতক্ষণ না কার্যকরী, নিরাপদ ও সহজলভ্য ভ্যাকসিন নিয়ে আসা যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের হাত থেকে কেউই নিরাপদ নন। বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে তৃতীয় পর্যায়ে। এই বছরের শেষে ভ্যাকসিন বাজারে আসবে বলেও আশাবাদী অনেকে। তবে পুরোটাই অনুমানের কথা।

তাই ভেবে রাখুন কী করবেন আর কী করবেন না। যদি কখনই করোনার ভ্যাকসিন না বের হয়, তাহলে এই করোনা পরবর্তী জীবনেই অভ্যস্ত হতে হবে আমাদের। কারণ ভ্যাকসিন যদি বেরও হয়, তবুও সতর্ক থাকতেই হবে সাধারণ মানুষকে। গবেষক ও চিকিৎসকরা বলছেনঃ

১. সামাজিক দূরত্ব

২. ফেস মাস্ক বাধ্যতামূলক

৩. হ্যান্ড স্যানিটাইজার

৪. যাতায়াতের মাধ্যমগুলিতে কড়া নজরদারি ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা

৫. যাত্রী সংখ্যা কমানো, ভীড় কমানো

৬. প্রকাশ্যে থুতু না ফেলা

৭. সর্বাঙ্গীণ স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে জোর দেওয়া

৮. ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালিয়ে যাওয়া

এই একই বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। এই পরিস্থিতিতে শনিবার একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী করোনা থেকে বাঁচতে আবারও দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘যতদিন ভ্যাকসিন না আসছে, ততদিন করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মূল হাতিয়ার মাস্ক পরা ও দূরত্ব বজায় রাখা।’’

গোটা দেশ করোনার গ্রাসে। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে নোভেল করোনাভাইরাস। এবার ১ লক্ষের দোরগোড়া দৈনিক সংক্রমণ। করোনা হানায় থরহরি কম্প দশা দেশজুড়ে। দেখা নেই ভ্যাকসিনের।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।