স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ঝড় বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে অষ্টমীতে জনজোয়ার কলকাতায়৷ উত্তর থেকে দক্ষিণ প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে লম্বা লাইন৷ দু’দিন বাদেই কৈলাশে বিদায় নেবেন উমা৷ তার আগেই উৎসবের শেষ দিনগুলো চুটিয়ে উপভোগ করতে চায় উৎসাহী মানুষ।

উৎসবের এই কটা দিনের জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন আপামর বাঙালি৷ যদিও এখন আর এই উৎসব শুধু বাঙালির উৎসবে সীমাবদ্ধ নেই৷ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এই উৎসবে মেতে উঠেন৷ এই বছর প্রথমা থেকেই মানুষ পুজো দেখতে বেড়িয়ে পড়েছিলেন৷

পঞ্চমীর ভোর রাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি দেখে কপালে ভাঁজ পড়েছিল বাঙালির। বেশ কিছু এলাকায় জলও জমে। আশঙ্কা তৈরি হয় যে গোটা পুজোটা ভালো কাটবে তো! কিন্তু পুজোয় সে সব তোয়াক্কা করে না বাঙালি। তাই মেঘ কেটে গিয়ে রোদ উঠতে না উঠতেই রাস্তায় নামে মানুষের ঢল।

আপোশ নেই সাজেও। কখনও বৃষ্টি, কখনও কড়া রোদ সমস্ত উপেক্ষা করে প্রথমা থেকেই পুজো মণ্ডপ যেন ফ্যাশন শো৷ পালা করে চলছে পুজো দেখা৷ উত্তর থেকে দক্ষিণের নামজাদা মণ্ডপগুলির তালিকা করে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ৷ সেই মানুষের ভিড় অষ্টমীতে শহরে জনজোয়ারের আকার নিয়েছে৷ রাতের দিকে সেটা পরিণত হয় জনসমুদ্রে৷

রাতে আলোকসজ্জাও নজর কাড়ে দর্শনার্থীদের৷ তাই যত রাত বাড়ে ততই রাস্তায় মানুষের ভিড়ও বাড়তে থাকে। সেন্ট্রাল এভেনিউ-এর কলেজ স্কোয়্যার, মহম্মদ আলি পার্ক, বা দক্ষিণের সুরুচি সঙ্ঘ, ত্রিধারা সম্মিলনী, চেতলা অগ্রণী, উত্তরের হাতিবাগান, তেলেঙ্গাবাগান, চালতাবাগান, ভারতচক্র-সহ শয়ে শয়ে পুজো প্যান্ডেল সেজে উঠেছে৷ পাশাপাশি রঙ্গিন আলোয় সেজে উঠেছে তিলোত্তমাও।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ