ঘাসফুলের একসময়ের ‘চাণক্য’ এখন পদ্ম শিবিরে। এ বারের নির্বাচনে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে লড়াই করছেন। ওই কেন্দ্রে মুকুলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের কৌশানী মুখোপাধ্যায় এবং সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী কংগ্রেসের সিলভি সাহা। দুই নবীনের বিরুদ্ধে অভিজ্ঞ মুকুলের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির।

নির্বাচন কমিশনে হলফনামা দিয়ে মুকুল রায় জানিয়েছেন তাঁর সম্পত্তির বিবরণ। কৃষ্ণনগর উত্তরের প্রার্থী মুকুল রায় হলফমানায় জানিয়েছেন, তাঁর আয়ের উৎস মূলত তাঁর পেনশনের টাকা। এছাড়াও তাঁর স্ত্রীয়ের ব্যবসা থেকে আসে কিছু টাকা। মুকুল রায় জানিয়েছেন , তিনি নিজে পেনশন হোল্ডার আর তাঁর স্ত্রী ব্যবসায়ী।

আরও পড়ুন: ‘৬৪ শতাংশ ভ্যাকসিন বিদেশে পাঠিয়েছেন’, মোদীকে তোপ মমতার

২০২০-২১ অর্থবর্ষে মুকুলের উপার্জন ছিল ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রীর উপার্জন ছিল ৫ লক্ষ ৮৬ হাজার ২৮১ টাকা। এসবিআই-এর অ্যাকাউন্টে মুকুলের নামে গচ্ছিত আছে ৮ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৭৯ টাকা ২২ পয়সা। তাঁর স্ত্রীর নামে দু’টি অ্যাকাউন্টে জমা ২ লক্ষ ৩৩ হাজার ২৫৭ টাকা এবং ১ লক্ষ ৭ হাজার ২৬ টাকা ৯৬ পয়সা।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ সম্বন্ধে মুকুল কিছু উল্লেখ করেননি। তবে এ ক্ষেত্রে তাঁর স্ত্রী বিনিয়োগ করেছেন ২ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা। ডাকঘর সঞ্চয় প্রকল্প এবং জীবনবিমা ক্ষেত্রে মুকুল ও তাঁর স্ত্রী কিছু বিনিয়োগ করেননি। এই মুহূর্তে তাঁর হাতে রয়েছে নগদ ৩৫ হাজার ৭৫২ টাকা। তাঁর স্ত্রীর কাছে আছে ৬৫ হাজার ৭৫৯ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী, মুকুল এবং তাঁর স্ত্রীর নামে কোনও গাড়ি নেই। হলফনামায় মুকুল রায় নিজের সোনার গয়নার কথা কিছু উল্লেখ করেননি। তবে তাঁর স্ত্রীয়ের গয়নার হিসাব তিনি দিয়েছেন। মুকুলপত্নীর সংগ্রহে ১০৭.৬৬ গ্রামের সোনা রয়েছে বলে তিনি লেখেন।

মুকুলের নামে কোনও জমি না থাকলেও তাঁর স্ত্রীর নামে হালিশহরের বীজপুরে জমি আছে। জমির বর্তমান মূল্য ১৫ লাখ টাকা। জমিটি কেনার সময় দাম ছিল ৮ লক্ষ টাকা। জমি কেনা হয় ২০০৮ সালে। নিজের বাড়ি বলতে মুকুল রায় কাঁচড়াপাড়ার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাড়িটির কথা উল্লেখ করেছেন। যা তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বাড়িটির বর্তমান বাজারদর প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা। তাঁদের কারও নামেই এই মুহূর্তে কোনও ব্যাঙ্কঋণ নেই।

যে হলফনামা নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে মুকুল রায় জমা করেছেন, তাতে স্পষ্ট লেখা রয়েছে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা। তিনি কলা বিভাগে স্নাতোকোত্তর পাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন। বিষয় ছিল ‘পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’। এই বিষয়ে স্নাকোত্তর তিনি পাশ করেন মাদুরাইয়ের কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সময়কাল ২০০৬ সাল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.