কলকাতা: দীর্ঘ দিনের রাজনীতিক তথা রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এ বছরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দমদম উত্তর কেন্দ্র থেকে। গত বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে হেরেছিলেন চন্দ্রিমা। তাঁকে হারিয়ে বিধানসভায় গিয়েছিলেন সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্য। পরে কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জিতে রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন চন্দ্রিমা। আরও বেশ ক’টি দফতরের দায়িত্বেও তিনি।

নির্বাচন কমিশনের কাছে হলফনামায় জানিয়েছেন সম্পত্তির যে বিবরণ দিয়েছেন চন্দ্রিমা, তাতে তাঁর কোনও স্থাবর সম্পত্তি নেই। চন্দ্রিমার নামে অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ৫৮ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮৩১ টাকা ৩৭ পয়সা। তাঁর স্বামীর ক্ষেত্রে এই সম্পত্তির মূল্য ২ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৩৭ টাকা ৫০ পয়সা। হলফনামায় নিজেকে সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন চন্দ্রিমা। তাঁর স্বামী ব্যবসায়ী।

হলফনামা অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে চন্দ্রিমা উপার্জন করেছেন ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৩৬০ টাকা। তাঁর স্বামী উপার্জন করেছেন ৩ লক্ষ ৫১ হাজার ৬৬০ টাকা। ব্যাঙ্কের দু’টি সেভিংস অ্যাকাউন্টে তাঁর নামে গচ্ছিত আছে যথাক্রমে ৪৩ লক্ষ ১৬ হাজার ৭১৪ টাকা ৩৭ পয়সা এবং ৬৬ হাজার টাকা।ব্যাঙ্কের দু’টি সেভিংস অ্যাকাউন্টে তাঁর নামে গচ্ছিত আছে যথাক্রমে ৪৩ লক্ষ ১৬ হাজার ৭১৪ টাকা ৩৭ পয়সা এবং ৬৬ হাজার টাকা।

চন্দ্রিমার স্বামীর নামে দু’টি অ্যাকাউন্টে গচ্ছিত আছে যথাক্রমে ৬২ হাজার ৩৭০ টাকা এবং ২১ হাজার ৮৯১ টাকা। চন্দ্রিমার স্বামীর নামে দু’টি অ্যাকাউন্টে গচ্ছিত আছে যথাক্রমে ৬২ হাজার ৩৭০ টাকা এবং ২১ হাজার ৮৯১ টাকা। এই মুহূর্তে চন্দ্রিমার হাতে আছে নগদ ১ লক্ষ ১৮০ টাকা। তাঁর স্বামীর কাছে আছে ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৮৭৬ টাকা। শেয়ারবাজারে তাঁর কোনও বিনিয়োগ নেই বলেই জানিয়েছেন চন্দ্রিমা। ডাকঘর সঞ্চয় প্রকল্পেও কোনও টাকা রাখেননি তিনি।

গড়চায় একটি লিজ নেওয়া বাড়িতে থাকেন চন্দ্রিমা। এছাড়া, ২০১৬ সালে চন্দ্রিমা কিনেছিলেন একটি মাহিন্দ্রা স্করপিও। দাম পড়েছিল ১১ লক্ষ ৫২ হাজার ৯৩৭ টাকা। তাঁর স্বামীর নামে কোনও গাড়ি নথিবদ্ধ নেই। চন্দ্রিমার গয়নার মূল্য ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। তাঁর স্বামীর কাছে যে আংটি আছে তার দাম ২১ হাজার টাকা। ব্যাঙ্ক বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানে তাঁর কোনও আর্থিক ঋণ নেই।

১৯৭২ সালে বাণিজ্য শাখায় স্নাতক হন চন্দ্রিমা। ১৯৭৬ সালে সম্পূর্ণ করেন এলএলবি। ১৯৭৮ সালে ওয়েস্টবেঙ্গল বার অ্যাসোসিয়েশনে তিনি আইনজীবী হিসেবে নথিবদ্ধ হন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.