কলকাতা: রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যেই জারি করেছে নির্বাচন কমিশন(Election Commission)৷ কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন রাজনৈতিক দল তাদের প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করতে পারেনি৷ আগামী শুক্রবার পূর্ণাঙ্গ প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করবে শাসক দল(Trinamool Congress) ৷ ওই দিন প্রথম দুটি দফার নির্বাচনের জন্য বিজেপির (BJP) প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।

সূত্রের খবর, আগামী শুক্রবার রাজ্যের ২৯৪ আসনের জন্য পূর্ণাঙ্গ তালিকাই প্রকাশ করবে তৃণমূল কংগ্রেস(Trinamool Congress)৷ এবার বর্ষীয়ান ও অসুস্থ বিধায়কদের বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি৷ তবে অনেক নতুন মুখের উপর আস্থা রাখতে চলেছে দল। তৃণমূল নজর দিয়েছে মহিলা, যুবা ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির দিকে৷

দলের কর্মসূচি আয়োজনে তৎপরতা ও জনসংযোগের দক্ষতাও বিবেচনা করা হচ্ছে টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে। অন্যদিকে যাঁরা বাদ যেতে পারেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, সিঙ্গুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ী, হাওড়া দক্ষিণের বিধায়ক ব্রজমোহন মজুমদার ও বাসন্তীর বিধায়ক গোবিন্দ নস্কর। এঁদের প্রত্যেকের বয়স আশির ঊর্ধ্বে। তাই নেতৃত্ব মনে করছে, এমন প্রবীণ বিধায়কদের বিশ্রাম দিয়ে, তুলনামূলক ভাবে নতুনদের সুযোগ দেওয়া হোক।

অন্যদিকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গ-ভূমি জয়ে বদ্ধপরিকর বিজেপি। সেই লক্ষ্যেই একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রীর আনাগোনা বাড়ছে রাজ্যে। নির্বাচনী নির্ঘন্ট ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করার পালা। সেই কাজেই এবার কোমর বেঁধে নামছে বিজেপি।

আগামী বুধবার দলের কোর কমিটির বৈঠকে স্থির করা হবে প্রথম ও দ্বিতীয় দফার তালিকাভুক্ত আসনের প্রার্থীদের নাম। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

সূত্রের খবর বিজেপি নেতা মুকুল রায়, রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও অন্যান্য বঙ্গ বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ মুখ এই বৈঠকে হাজির থাকতে পারেন। দিলীপ ঘোষ জানান, খুব দ্রুত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনের আগে বাংলায় প্রায় ২০টি নির্বাচনী সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডারও প্রায় ৫০টি সভা করার কথা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।