১. মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র

মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী গিয়াসুদ্দিন মোল্লা৷ একুশের ভোটেও সম্ভবত তাঁকেই প্রার্থী করবে তৃণমূল৷ ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের গিয়াসুদ্দিন মোল্লার প্রাপ্ত ভোট ছিল ৮৭,৪৮২৷ অন্যদিকে, এই কেন্দ্রে গত বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছিল ৭১,৫৯৩টি ভোট৷ তৃতীয় স্থানে থাকা বিজেপি প্রার্থী পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৯২৮টি ভোট৷
মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১১ সাল পর্যন্ত মূল লড়াই হয়েছে কংগ্রেস ও সিপিএমের মধ্যে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন প্রবীণ তৃণমূল নেতা গিয়াসুদ্দিন মোল্লা এই কেন্দ্র থেকে পরিবর্তনের হাওয়ায় ২০১১ সালে জয়ী হন। তারপর থেকে এই এলাকায় শক্তি বাড়তে থাকে তৃণমূলের৷ এই জেলার অন্য বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের মতোই এখানে সংখ্যালঘু ভোট বড়সড় ফ্যাক্টর৷

২. ডায়মন্ড হারবার

দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই কেন্দ্রটিতে নজর সবার৷ তৃণমূল যুব সভাপতি তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় বলে পরিচিত এই কেন্দ্রটি৷ এই ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রেরই সাংসদ অভিষেক৷ ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের দীপক হালদার৷ তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৬ হাজার ৮৩৩৷ নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের আবু হাসনাত পেয়েছিলেন ৮১,৭৯৬টি ভোট৷ অন্যদিকে, তৃতীয় স্থানে থেকে বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছিল ১৪,৬১৪টি ভোট৷ তবে এবার এই কেন্দ্রে নির্বাচনী ফল কি হবে তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে৷ তৃণমূলের দীপক হালদার বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন৷ ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে দাপট বেড়েছে বিজেপির৷ শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলের সুযোগ নিতে পারে বিরোধীরা৷

৩. ফলতা

জেলার এই কেন্দ্রেও ভালো প্রভাব তৃণমূলের৷ তবে গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে এখানেও শক্তি বেড়েছে বিজেপির৷ অন্যদিকে, বাম-কংগ্রেসও নিজেদের মতো করে কর্মসূচি সাজিয়ে এলাকায় নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে৷ ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তৃণমূলের তমোনাশ ঘোষ৷ তবে গত বছরের শেষের দিকে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর৷ এখনও পর্যন্ত এই আসনে উপনির্বাচন হয়নি৷ গত বিধানসভা নিরক্বাচনে ফলতা তৃণমূলের তমোনাশ ঘোষ পেয়েছিলেন ৯৪, ৩৮১টি ভোট৷ সিপিএমের ঝুলিতে গিয়েছিল ৭০,৮০১টি ভোট৷ এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে ছিল বিজেপি৷ তাদের ঝুলিতে গিয়েছিল ১৫ হাজার ৭৬৩টি ভোট৷

৪. সাতগাছিয়া

দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই কেন্দ্র থেকেই এক সময় ভোটে দাঁড়াতেন প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু৷ ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের সোনালী গুহ৷ তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১,০০,১৭১৷ নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের পারমিতা ঘোষকে ১৭,২৭২ ভোটে হারিয়েছিলেন তিনি৷ ২০১৬ সালের নির্বাচনে সাতগাছিয়া কেন্দ্রে বিজেপি পেয়েছিল ১৮ হাজার ৮৫৭টি ভোট৷

৫. বিষ্ণুপুর পশ্চিম

ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত এই বিধানসভা কেন্দ্রেও গত লোকসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল৷ তৃণমূল প্রার্থী দিলীপ মণ্ডল গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে ১ লক্ষ ৭ হাজার ১২৯টি ভোট পেয়েছিলেন৷ অন্যদিকে, সিপিএমের অলোক সরদার পেয়েছিলেন ৭৬ হাজার ৪৯৯টি ভোট৷ গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে ছিল বিজেপি৷ এই কেন্দ্রে বিজেপির ঝুলিতে গত বিধানসভা নির্বাচনে গিয়েছিল ১৪ হাজার ২৬৪টি ভোট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।