বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে৷ একুশের ভোটের আগে রাজ্য-রাজনীতি সরগরম৷ একদিকে ‘উন্নয়ন’-কে হাতিয়ার করে রাজ্যে ক্ষমতা ধরে রাখতে সচেষ্ট শাসক তৃণমূল৷ অন্যদিকে, শাসকদলের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ এনে ভোট ময়দানে বিজেপি৷ একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির৷ পিছিয়ে নেই বাম-কংগ্রেসও৷ আব্বাসের দলকে সঙ্গে নিয়েই ভোট-বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা দুই দলের৷ এই আবহেই নজরে এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিধানসভা কেন্দ্রগুলি৷

১. সাগর

জেলার একের পর এক নির্বাচনী কেন্দ্রের মতোই ২০১৬ সালের নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার এই কেন্দ্রটিও তৃণমূলের দখলে গিয়েছিল৷ তৃণমূলের বঙ্কিম হাজরা তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের অসীম মণ্ডলকে ১৮ হাজার ৭১ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন৷ গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে ছিল বিজেপি৷ জয়ী প্রার্থী বঙ্কিম হাজরার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১,১২,৮১২৷ অন্যদিকে সিপিএম প্রার্থী পেয়েছিলেন ৯৪ হাজার ৭৪১টি ভোট৷ তবে এবার এই কেন্দ্রে বিজেপি শক্তি বাড়িয়েছে৷

২. কুলপি

কুলপি কেন্দ্রটিও তৃণমূলের দখলে রয়েছে৷ গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের যোগরঞ্জন হালদার৷ সিপিএমের রেজাউল হক খানকে ১১ হাজার ৪৫৫ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন তিনি৷
গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৮৪,০৩৬৷ অন্যদিকে সিপিএমের ঝুলিতে গিয়েছিল ৭২,৫৮১টি ভোট৷ তৃতীয় স্থানে থাকা বিজেপি প্রার্থী পেয়েছিলেন ৮ হাজার ৪৩৪টি ভোট৷

৩. রায়দিঘি

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার এই কেন্দ্রটিতে এবারের ভোটে নজর সবার৷ সম্ভবত এবারও এই কেন্দ্রে বামেরাই প্রার্থী দিচ্ছে৷ সবকিছু ঠিকঠাক চললে সম্ভবত এই কেন্দ্রে ফের একবার প্রার্থী হচ্ছেন বর্ষীয়ান বাম নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়৷ ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় এই রায়দিঘি কেন্দ্রে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী দেবশ্রী রায়ের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন৷ দেবশ্রী পেয়েছিলেন ১,০১,১৬১টি ভোট৷ অন্যদিকে, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় পেয়েছিলেন ৯৯ হাজার ৯৩২টি ভোট৷ মাত্র ১২২৯ ভোটের ব্যবধানে দেবশ্রী রায় হারিয়ে দিয়েছিলেন বর্ষীয়ান বাম নেতাকে৷ তবে দেবশ্রীকে নিয়ে এলাকায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে৷ দেবশ্রীকে এলাকায় দেখা যায় না বলেও অভিযোগ তাঁরই দলের একাংশের নেতাদের৷ এই কেন্দ্রেও গত বিধানসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী ছিলেন তৃতীয় স্থানে৷

৪. মন্দিরবাজার

মন্দিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রও গত বিধানসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল৷ তৃণমূল প্রার্থী জয়দেব হালদার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের শরতচন্দ্র হালদারকে ২৪ হাজার ৯৩৯টি ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন৷ গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল পেয়েছিল ৯৪ হাজার ৩৩৯টি ভোট৷ অন্যদিকে, সিপিএম প্রার্থী পেয়েছিলেন ৬৯, ৪০০টি ভোট৷ গতবার এই কেন্দ্রেও বিজেপি প্রার্থী ছিলেন তৃতীয় স্থানে৷ তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৮ হাজার ৬৫৩৷

৫. জয়নগর

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়নগর কেন্দ্রে ৮৪ শতাংশ ভোট পড়েছে৷ এই কেন্দ্রে গতবার জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের বিশ্বনাথ দাস৷ তাঁর পাপ্ত ভোট ছিল ৬৪ হাজার ৫৮২৷ নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের সুজিত পাটোয়ারিকে তিনি ১৫ হাজার ৫১ ভোটে হারিয়েছিলেন৷ জয়নগর কেন্দ্রে এসইউসিআই-এর একটি নিজস্ব ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে৷ গতবার এই কেন্দ্রে এসইউসিআইএর তরুণ নষ্কর ৩৯, ৩৯৭টি ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে ছিলেন৷ বিজেপিও এই কেন্দ্রে গতবার ১৮,০৫৫টি ভোট পেয়েছিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।