গুয়াহাটি : তিন সপ্তাহের টানা লকডাউন শেষে সোমবার থেকে আনলক প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে গুয়াহাটিতে। অসম সরকার জানিয়েছে গুয়াহাটিতে আনলক চালু হলেও, আন্তঃরাজ্য সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকবে অসমে।

২২শে জুলাই পর্যন্ত আন্তঃ রাজ্য গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে। ব্যক্তিগত কারণে কেউ গাড়ি নিয়ে বেরোতে পারবেন না। তবে গুয়াহাটি তিন সপ্তাহের লকডাউনের মেয়াদ আর বাড়াতে চাইছে না সরকার।

রাজ্যের মুখ্য সচিব কুমার সঞ্জয় কৃষ্ণা জানিয়েছেন, পণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর গাড়ি আটকানো হবে না। আন্তঃরাজ্য ওষুধ সরবরাহেপ জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার ডেপুটি কমিশনারের অনুমতিপত্র প্রয়োজন হবে। কামরূপ মেট্রোপলিটান জেলার জন্য আনলক ওয়ানের গাইডলাইন প্রকাশিত হয়েছে। ২৮শে জুন থেকে লকডাউন চলছে গুয়াহাটি ও সংলগ্ন এলাকায়।

তবে নাইট কার্ফু ও শনি-রবিবার সম্পূর্ণ লকডাউনের নিয়ম জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন কৃষ্ণা। গুয়াহাটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমার লক্ষ্মণ নেই। তবু তার মধ্যেই আনলকের প্রক্রিয়া চালু করতে চলেছে রাজ্য সরকার।

গাইড লাইনে জানানো হয়েছে প্রতি সোম থেকে শুক্রবার দোকান খোলা থাকবে, তবে একদিন বাদ দিয়ে। সকাল সাতটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকান। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যে দুধ ও শিশুখাদ্য প্রতিদিন মিলবে। তবে অন্যান্য জিনিস পাওয়া যাবে শনি-রবি বাদ দিয়ে।

হোটেল রেস্তোয়া হোম ডেলিভারি করতে পারবে। কিন্তু সেখানে বসে খাওয়ার অনুমতি মিলবে না। নির্মাণ কর্মীদের কাজ চলবে সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত। তবে তাঁদের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব সংস্থার বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। ই-রিকশা, অটো, সাধারণ রিকশায় দুজন করে যাত্রী উঠতে পারবে। চালকদের টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ হতে হবে। সেক্ষেত্রে রিপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে চালককে।

এদিকে, দেশে ফের রেকর্ড ব্রেক করোনার। এতদিনের যাবতীয় সব সংক্রমণের রেকর্ড ছাড়িয়ে শুধুমাত্র ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হলেন ৩৮ হাজার ৯০২ জন। যা কিনা এখন পর্যন্ত সর্বাধিক। দেশে ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৪৩ জনের।

নতুন করে সংক্রমণের জেরে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৬১৮তে। এরমধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৩ লক্ষ ৭৩ হাজার ৩৭৯। সুস্থ হওয়া মানুষের সংখ্যা ৬ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪২৩ ও মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার ৮১৬ জনের।

অন্যদিকে একটি সমীক্ষার বক্তব্য, প্রতিদিন যেভাবে লাগামছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা হু-হু করে বেড়ে চলেছে তাতে ভবিষ্যৎ এর জন্য আরও বড় অশনি সংকেত বয়ে আনবে এই ভাইরাস। এমনটাই জানাচ্ছেন গবেষক মণ্ডলীরা। শুধু তাই নয় আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ভারত করোনা আক্রান্তের শীর্ষে পৌঁছে যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।