গুয়াহাটি: সোমবার থেকে পড়শি রাজ্যে খুলে যাচ্ছে স্কুল। অসমে ২ নভেম্বর থেকে প্রায় ৭ মাস পর কঠোর ভাবে কোভিড-১৯ নিয়ম মেনে খুলতে চলেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। শিক্ষা বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কেবল মাত্র ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারবে।

তবে কোভিড ১৯ এর রিস্ক কম করতে স্কুলগুলিতে চালু করা হচ্ছে একটি বিশেষ ব্যবস্থা। একই দিনে ক্লাস হবে না সব শিক্ষার্থীদের। সোমবার, বুধ ও শুক্রবার ক্লাস হবে সিক্স, এইট ও টুয়েলভের। অন্য তিন দিন ক্লাস করবে সেভেন, নাইন ও ইলেভেন।

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সকল শিক্ষার্থী একসঙ্গে স্কুলে আসবে না। সকাল ও দুপুর এই দুটো ব্যাচে হবে স্কুল। স্কুলের কমিটিই ফার্স্ট ব্যাচ ও সেকেন্ড ব্যাচে কারা আসবে তা ঠিক করে দেবে বলে জানানো হয়েছে।

তবে সরকার দুটি ব্যাচের জন্যই টাইম বলে দিয়েছে। প্রথম ব্যাচ স্কুলে আসবে সকাল ৮ টায়, তাঁদের ছুটি হবে দুপুর ১২ টায়। দ্বিতীয় ব্যাচ স্কুলে আসবে বেলা ১২ টা ৩০ মিনিটে ও তাঁদের ছুটি হবে ৩ টে ৩০ এ।

স্কুলগুলিকে মাস্ক, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং, স্যানিটাইজিং সহ সমস্ত কোভিড-১৯ প্রতিরোধকারী নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, অসমে ২ নভেম্বর হলেও দেশের আর এক রাজ্য তামিলনাডুতে স্কুল খুলবে ১৬ নভেম্বর। এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে তামিলনাডু সরকার।সরকারি ভাবে সমস্ত সুরক্ষা বিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে। বারেবারে হ্যান্ড স্যানিটাইজ করা, পাবলিক স্পেসে ফেস মাস্ক, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং, থার্মাল স্ক্যানার সহ একাধিক নিরাপত্তাবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।