গুয়াহাটি: নতুন করে নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১২২ জন। একদিনে এত সংক্রমণ এর আগে অসমে হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে। এই রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

অসমে সক্রিয়ভাবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৪৪৫ জন। এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ নিয়ে বর্তমানে মোট করোনায় আক্রান্ত ৫১৪ জন। জানা গিয়েছে, মোট সংক্রমিতদের ৫৩ জন গোলাঘাট জেলার, ২১ জন করিমগঞ্জের, লাখিমপুর এবং গুয়াহাটিতে ৮ জন করে, কোকরাঝাড়ে ৬ জন, হায়িলাকান্ডি এবং ধীমাজি থেকে ৪ জন করে, দক্ষিণ সালমারা থেকে ৩ জন, তিনসুকিয়া, সিভসাগর, নলবাড়ি থেকে ২ জন করে এছাড়া জোরহাট, নাগাঁও, মোরিগাঁও এবং গোয়ালপাড়া জেলার অন্তর্গত।

এ বিষয়ে অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, শুধু সোমবার ১২২ জন নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে চিন্তাপ্রকাশ করে বলেছেন, রাজ্যে নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। তিনি আরও বলেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা রাজ্যে ফিরতে শুরু করায় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে।

মে মাসের ২৩ তারিখ অসমে নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭ জন। তবে এরইমধ্যে পাঁচজন করোনা আক্রান্তকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মোট সুস্থ হয়েছেন ৬২ জন।

প্রসঙ্গত, বিশ্বে অন্যান্য আক্রান্ত দেশের মধ্যে ভারত এখন ১০ নম্বরে। প্রত্যেকদিনই সংক্রমণের হার একটু একটু করে বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, একদিনে ৯,২১৬ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ৷ তার জন্য একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটাও বেড়েছে৷ এই পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৮২৪ জনের৷

রবিবার নতুন করে সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে দেশের ২৬ টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। তামিলনাড়ুতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৭৬৫ জন। চেন্নাইতে নতুন করে ৫৮৭ জন আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। ১০,০০০ ছাড়িয়ে গেল সেই রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা।

একই ভাবে দেশের মধ্যে সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। নতুন আক্রান্ত ৩০৪১। শুধু মুম্বইতেই ১৭২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ওই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫০,০০০। মুম্বইতে ছাড়িয়ে গেল ৩০,০০০।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।