গুয়াহাটি: পুলিশ নিয়োগের প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির মূল চক্রী তথা অসমের প্রাক্তন ডিআইজি পি কে দত্ত গ্রেফতার। তাঁকে নেপালের সীমান্ত শহর কাঁকরভিটা থেকে গ্রেফতার করা হলো। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি দল নেপাল গিয়ে এই অভিযান সংঘটিত করে।

সূত্রের খবর, নেপাল সরকারের সঙ্গে সব আলোচনা করেই দার্জিলিং জেলা পুলিশ প্রতিবেশি দেশের ঝাপা জেলার কাঁকরভিটায় প্রবেশ করে। সেখানে আত্মগোপনে ছিলেন অসমের প্রাক্তন পুলিশ মহানির্দেশক।

অভিযোগ, এই জবরদস্ত আইপিএস অফিসার ও অসমের বিজেপি নেতা ডিবন ডেকা পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মূল পাণ্ডা। অসমে বিজেপি সরকার তৈরির পর এত বড় কেলেঙ্কারি ঘটায় প্রবল অস্বস্তিতে মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সেনোয়াল।

সম্প্রতি অসমে পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর নিয়োগের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। ৫৮৭ জন সাব ইন্সপেক্টর নিয়োগের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস গিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে গত ২০ সেপ্টেম্বর পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়। প্রায় ৬৬ হাজার চাকরিপ্রার্থী অনিশ্চতায় পড়েছেন। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার জেরে বিক্ষোভ ছড়াচ্ছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ১০ দিনের মাথায় জালিয়াতিতে জড়িত বিজেপির নেতা ডিবন ডেকাকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১১ সালে নলবাড়ি জেলার বড়খেত্রি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা করেন ডিবন। হেরে গেলেও রাজ্যে পরে বিজেপি সরকার আসতেই প্রভাবশালী হন ডিবন। অভিযোগ, তিনি ও প্রাক্তন ডিআইজি পি কে দত্ত মিলে পুলিশ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস করার চক্র তৈরি করেন।

এদিকে ডিবন গ্রেফতারের আগেই অসম ছেড়ে নেপালে পালান প্রাক্তন ডিআইজি। তদন্তে জানা যায় তিনি নেপালের ঝাপা জেলার কাঁকরভিটাতে লুকিয়ে আছেন। এই শহর পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার লাগোয়া। ফলে অভিযান চালাতে অসম পুলিশ পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের সাহায্য নেয়।

মঙ্গলবারই নেপালে ধৃত অসমের প্রাক্তন জিআইজি পি কে দত্ত কে ভারতে আনা হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশে চাকরি দেওয়ার জন্য প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I