গুয়াহাটি: বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি অসমে। ইতিমধ্যেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে বন্যার জলে নষ্ট হয়েছে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল। রাজ্যের ৩১টি জেলা বন্যার জেরে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু এলাকায় ঘর ছেড়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন মানুষ। বন্যার জলের তলায় কাজিরাঙা অভয়ারণ্য। প্রাণ বাঁচাতে জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে বাঘ, গণ্ডার, হাতির দল।

করোনা আবহে প্রবল প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত অসম। ক্রমশ অবনতি হচ্ছে অসমের বন্যা পরিস্থিতির।

বন্যার জেরে এখনও পর্যন্ত ৮৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল জানিয়েছেন, অসমের বন্যায় প্রায় ৭০ লক্ষেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাঘ-গণ্ডার জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে।

সংবাদসংস্থা এএনআইকে মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ার বলেন, ‘বন্যার সময়ে রাজ্যবাসী দুর্দান্ত সাহস দেখিয়েছেন। তাঁরা সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন। আমি তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। আমরা সফলভাবে এই চ্যালেঞ্জকে কাটিয়ে উঠব। অসমের পাশে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও ধন্যবাদ জানাই’।

এদিকে, অসমের বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের প্রায় ৩১টি জেলা বন্যার কবলে। মোট সাড়ে চার হাজার গ্রামের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে।

গোটা রাজ্যের প্রায় ৩১৮১টি গ্রাম জলের তলায়। রাজ্যের মোট ২৪টি জেলায় ৩২৭টি ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। অসমের গোলাঘাট, জোরহাট, মাজুলি, শিবাসাগর, ধীমাজি, বিশ্বনাথ, ডিব্রুগড়, তিনসুকিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যার কবলে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বরপেটা জেলার। এই জেলায় প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।