গুয়াহাটি: করোনা আবহে অসমে বন্য পরিস্থিতির আরও অবনতি। রাজ্যের ২৫টি জেলা বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জলের তলায় লক্ষাধিক হেক্টর চাষের জমি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে অসম সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে প্রশাসনের তরফে খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির। তবে করোনা আবহে সামাজিক দূরত্ববিধি মানা থেকে শুরু অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ত্রাণ শিবিরগুলিতে কার্যত শিকেয় ওঠার জোগাড়।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অসমের ২৫টি জেলা বন্যার জের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোনিতপুরে বন্যার জলের তোড়ে ভঙে পড়েছে বহু বাড়ি। ২৬ লক্ষ ৬৯ হাজার ৯০০ জন বন্যার জেরে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

রাজ্যজুড়ে বন্যা কবলিত জেলাগুলিতে মোট ২৮০টি ত্রাণ শিবির চালু করেছে সরকার। ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ শিবিরে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত অসমে বন্যার জেরে বিভিন্ন ঘটনায় ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ইতিমধ্যেই ১,০৯,৬০০ হেক্টরেরও বেশি জমির ফসল জলে নষ্ট হয়েছে। রাজ্যের ২২০০-এরও বেশি গ্রাম জলের তলায়। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অসমের ধুবরি, লক্ষ্মীপুর, বিশ্বনাথ, দারাং, বকসা, নলবাড়ি, বরপেটা, ধীমাজি, কোকরাঝাড়, চিরাং, গোলাঘাট, জোড়হাট, মাজুলি, শিবসাগর, ডিব্রুগড়-সহ একাধিক জেলা বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত।

রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে স্বভাবতই উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা হয়েছে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর।

অসমকে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে, বন্যার জেরে অসমের করোনা পরিস্থিতি আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।