স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কৈলাশ বিজয়বর্গীয়কে প্রশ্ন করুন৷ মুকুল রায়ের (Mukul Roy)  দলত্যাগ নিয়ে কলকাতা ২৪x৭-কে এমনই সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্য বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা রাহুল সিনহা (Rahul Sinha)৷

বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র অত্যন্ত ঘনিষ্ট ছিল মুকুল রায়৷  রাহুল সিনহার এই মন্তব্য কৈলাশকেই খোঁচা বলে মত রাজনৈতিক মহলের৷ মুকুলের দলত্যাগের পর আদি বিজেপির অনেকেই মনে করছেন, দলে দলে তৃণমূলীদের বিজেপিতে নেওয়ার ফল এখন তাদের ভোগ করতে হচ্ছে৷ রাহুল সিনহার কথাতেও সেটা অনেকটাই স্পষ্ট  ৷

 বিজেপি (Bjp) ছেড়ে শুক্রবার ফের তৃণমূলে ফিরলেন সপুত্র মুকুল রায়।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই মুকুল-শুভ্রাংশু, দুজনেই ঘাসফুলে ফিরলেন৷ এদিন পিতা-পুত্রকে উত্তরীয় পরে দলে স্বাগত জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসময় পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি, ফিরহাদ হাকিম, সহ দলের প্রথম সারির সব নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এদিন তৃণমূলে ফিরেই মুকুল বলেন, ‘এখানে এসে খুব ভাল লাগছে। পুরনো সব ছেলেদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’  মুকুলের কথায়, ‘যিনি আমাদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন, তিনি আর কেউ নন, ভারতবর্ষের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ কেন তিনি বিজেপি ছাড়লেন? কেন যোগ দিলেন তৃণমূলে? সেই বিস্তারিত বিবৃতি লিখিত আকারে দেবেন বলে জানিয়েছেন মুকুল রায়।

এদিকে, মুকুল রায়ের তৃণমূলে ফেরা নিয়ে বিশেষ মন্তব্য করতে চাইলে না বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বৈঠক সেরে বেরিয়ে তিনি বললেন, ‘‘আমাদের দলের অনেক কর্মী ঘরছাড়া, সকলকে শান্তিতে বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়াই এখন কাজ, কে গেল, কে এল, তা নিয়ে ভাবতে চাই না।’’

মুকুল রায়ের প্রত্যাবর্তনের পর বিজেপি নেতা অনুপম হাজরার ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন৷ লিখেছেন, ‘বিজেপি-তে আছি এবং বিজেপি-তে থাকব। শুধু বঙ্গ বিজেপি-তে নোংরা লবিবাজি বন্ধ করার উদ্দেশে এই বার্তা।’

ফেসবুকে পোস্ট করে দলের পরিষদীয় দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বিজেপি-কে আবর্জনা মুক্ত করার আবেদন জানালেন তৃণমূলের পুরোনো সদস্য তথা বালিতে বিজেপি-র টিকিটে নির্বাচন লড়া বৈশালী ডালমিয়া। মুকুল রায়কে কটাক্ষ করে  কলকাতা ২৪x৭-কে তিনি বলেন, রাজনীতিতে মুকুল রায়কে চাণক্য বলা হয়৷ অথচ চাণক্য নিজেই কোথাও থিতু হয়ে থাকতে পারেন না৷ উনি যেখানেই থাকেন সেখানেই তাঁর সঙ্গে সবার গণ্ডগোল হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.