মেলবোর্ন: অ্যাডিলেড ওভালে পিঙ্ক বল টেস্টে শেষ ভালো না-হলেও মেলবোর্নে বক্সিং ডে টেস্টে শুরুটা মন্দ হল না টিম ইন্ডিয়ার৷ বিরাটহীন ভারতের নেতৃত্বের ব্যাটন হাতে নিয়ে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিলেন অজিঙ্ক রাহানে৷ রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জোড়া ধাক্কায় লাঞ্চে ৬৫ রানে অস্ট্রেলিয়ার তিনটি উইকেট তুলে নেয় ভারত৷ শূন্য রানে স্টিভ স্মিথকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান অশ্বিন৷

টস হেরে প্রথম বোলিং করতে হলেও ইতিবাচক শুরু করে রাহানে অ্যান্ড কোং৷ অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ম্যাথু ওয়েড ও জো বার্নসককে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বেঁধে রাখেন টিম ইন্ডিয়ার দুই পেসার জসপ্রীত বুমরাহ ও উমেশ যাদব৷ ইনিংসের পঞ্চম ওভারেই জো বার্নসকে তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ধাক্কা দেন বুমরাহ৷ নিজের তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে বার্নসকে উইকেটের পিছনে ক্যাচ আউট করেন ভারতের নম্বর ওয়ান পেসার৷ বার্নসের ব্যাটে কিস করে যাওয়া সহজ ক্যাচ ধরতে মিস করেননি ঋদ্ধিমান সাহার পরিবর্তে এই টেস্টে খেলা ঋষভ পন্ত৷

পঞ্চম ওভারে মাত্র ১০ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া৷ এরপর ক্রিজে আসেন মার্নাস ল্যাবুশানে৷ নতুন বলে ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে লড়াই করে প্রথম ১০ ওভারে বার্নসের উইকেট হারিয়ে ২৫ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া৷ কিন্তু একাদশ ওভারেই অফ-স্পিনার অশ্বিনকে আক্রমণে আনেন ক্যাপ্টেন রাহানে৷

নিজের দ্বিতীয় ওভারে অর্থাৎ ভারতীয় ইনিংসের দ্বাদশ ওভারে ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা ওয়েডকে আউট করেন অশ্বিন৷ তাঁর মারতে গিয়ে ক্যাচ তোলেন ওয়েড৷ মিড-অন থেকে দৌড়ে গিয়ে ক্যাচ ধরে রবীন্দ্র জাদেজা৷ ৩৯ বলে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩০ রান করে আউট হন ওয়েড৷

৩৫ রানে ২ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া৷ তারপর ক্রিজে আসেন প্রাক্তন অজি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ৷ কিন্তু তাঁক ক্রিজে জমতে দেওয়ার আগেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখান অশ্বিন৷ বুদ্ধিদীপ্ত ক্যাপ্টেন্সি রাহানে৷ অশ্বিনের বলে স্মিথের জন্য লেগ-স্লিপ রাখেন ভারত অধিনায়ক৷ রাহানের ফাঁদে পা–দিয়ে চেতেশ্বর পূজারার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন স্মিথ৷ ৮ বল খেলে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি৷

৩৮ রানে তিন উইকেট হারায়৷ স্মিথ আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন ট্রেভিড হেড৷ লাঞ্চের আগে চতুর্থ উইকেটে ল্যাবুশানের সঙ্গে ২৭ রান যোগ করেন দু’জনে৷ লাঞ্চে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ৬৫৷ তবে লাঞ্চের ঠিক আগে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান ল্যাবুশানে৷ লাঞ্চের আগের ওভারে অশ্বিনের এলবিডব্লিউ-র আবেদনে সাড়া দিয়ে ল্যাবুশানেকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার৷ কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান টপ-অর্ডার অজি ব্যাটসম্যান৷ রিভিউতে দেখা যায় বল তাঁর পিছনের পায়ে লাগলেও স্টাম্পের ঠিক উপরের দিয়ে যাচ্ছে৷

লাঞ্চে ল্যাবুশানে ২৬ এবং হেড ৪ রানে ক্রিজে রয়েছেন৷ প্রথম স্পেলে দুরন্ত বোলিং করেন অশ্বিন৷ ৯ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে দু’টি উইকেট তুলে নেন ভারতীয় এই অফ-স্পিনার৷ লাঞ্চের আগে আর এক স্পিনার রবীন্দ্র জাদজাকেও আক্রমণে আনেন ক্যাপ্টেন রাহানে৷ চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৩ রান খরচ করেন এই বাঁ-হাতি স্পিনার৷ দারুণ বোলিং করেন বুমরাহ৷ ৮ ওভারে ৪টি মেডেন-সহ মাত্র ৭ রান দিয়ে বার্নসের উইকেট তুলে নেন তিনি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.