কলকাতা : আজ মহাষ্টমী। পাঁচ দিনের শারদীয়া মহাপুজোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সন্ধিপুজো। এবার এগারোটা নাগাদ শুরু হবে অষ্টমীর ও নবমীর মাঝে সন্ধি পূজা অষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট এবং নবমী তিথির প্রথম ২৪ মিনিট মিলে মোট ৪৮ মিনিটে সন্ধিপুজো সমাপন করতে হয়। সন্ধিপুজোয় দেবীকে ১০৮ পদ্ম এবং ১০৮ দীপদান করার রীতি রয়েছে। এই সময় দেবীকে চামুণ্ডা রূপে পুজো করা হয়। তাই সন্ধিপুজোর সমস্ত মন্ত্রই চামুণ্ডা দেবীর মন্ত্র। কথিত আছে রামচন্দ্র অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণেই প্রথম রাবণের ১০ মুন্ড ছিন্ন করেন।

প্রতি বছরের মতো এ বারেও মহাষ্টমীতে সাড়ম্বরে কুমারী পুজো শুরু হয়েছে বেলুড় মঠে। ‘সুভাগা’ রূপে পুজো করা হচ্ছে এক নাবালিকাকে।

বেলুড় মঠে দুর্গাপুজো শুরু করেন স্বামী বিবেকানন্দ। সারদা দেবীর নামে দুর্গাপুজোর সঙ্কল্প করা হয়েছিল। সেই প্রথা মেনে এখনও চলছে সেই পুজো। প্রথম বর্ষেই ন’জন কুমারীকে একসঙ্গে পুজো করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে এক জনকে নিজের হাতে পুজো করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।

প্রথা মেনে প্রতি বছর মহাষ্টমীতে বেলুড় মঠের মূল মন্দিরে আত্মারামের কৌটো বার করে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের মহাস্নান করানো হয়েছে। শনিবার সকালে বেলুড় মঠের মূল মন্দিরের পাশে পুজোর মণ্ডপে কুমারী পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়। অন্যবার পুজোর পরে দর্শনার্থীর মধ্যে ভোগপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। সকাল থেকে বেলুড় মঠে ভক্ত সমাগম হয়৷ অন্যবার এইদিনে প্রায় কয়েক লক্ষ ভক্ত সমাগম হয় বলে জানা যায় বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষের সূত্রে। দুর্ঘটনা এড়াতে স্থলপথে-জলপথে কড়া নজরদারি চালানো হয় ৷ স্পিডবোটে জলপথে নজর থাকে পুলিশের ৷ এবারে সব বন্ধ। তাই অনালাইনে দেখানো হচ্ছে তাঁদের কুমারী পূজা। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে কুমারী পূজা।

করোনার কোপে এবার মহাষ্টমীর পুজোও মলীন। কার্যত দর্শক শূন্য মণ্ডপেই চলছে সকাল থেকে শুরু হয়েছে মহাষ্টমীর পুজো। একাধিক বিধিতে সেকারণে কাটছাট করা হয়েছে। সেকারণেই এবার বাগবাজারে বীরাষ্টমীর লাঠিখেলাও বন্ধ। এই প্রথম এমন ছন্দপতন।

একশো বছর হয়ে গিয়েছে বাগবাজার সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে হরেক রকমের গল্পকথা আর ইতিহাস। অষ্টমীর দিনটা বাগবাজারের পুজোয় ‘বীরাষ্টমী’। স্বাধীনতার আগে স্বদেশিরা অষ্টমীর সকালে এই পুজোর মাঠে লাঠিখেলা, ছুরি খেলা, কুস্তির মতো খেলা এখানে হত। সাহেবরাই শক্তিমান আর বাঙালি ভীরু। এই বিশ্বাস ভাঙতেই বীরাষ্টমীর উদ্‌যাপন করা হত। সেই ট্রাডিশন বজায় আছে এখনও। জানা গিয়েছে, তখন বীরাষ্টমীর দিন জনতার ভিড়ে মিশে যেতেন অনুশীলন সমিতির বিপ্লবী সদস্যরাও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।