কলকাতা: অসুস্থ হওয়ার পর বাড়ি ফিরেছেন। কিন্তু গত কয়েকদিনে মহারাজ কে দেখা যায়নি। বুধবার একেবারে ধামাকা সেলফি পোস্ট দিয়ে মাত করলেন শিলিগুড়ির সিপিআইএম বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য। প্রাক্তন পুর মন্ত্রী তথা শিলিগুড়ি কর্পোরেশনের বর্তমান প্রশাসক অশোকবাবুর সঙ্গে সৌরভ গাঙ্গুলীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সুবিদিত।

অশোক ভট্টাচার্য তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, “আজ সৌরভ কে দেখে এলাম ওর বাড়িতে । ভালো আছে । আমাদের বাড়ীর কুশল সংবাদ নিলো। পরের স্ট্যান্ট বসাবে কয়েকদিন পর বেশ কিছুক্ষন আড্ডা আর চা টা খেয়ে ফিরে এলাম। ওর তোলা সেলফি এই ফটো টি। ওইই গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিল।”

সম্প্রতি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী গুরুতর অসুস্থ হনু। তিনি ঘরে ব্যায়াম করতে গিয়ে পড়ে যান। পরে চিকিৎসায় ধরা পড়ে তাঁর মৃদু স্ট্রোক হয়েছিল।

এর পরেই দেশজুড়ে সৌরভ অনুরাগীরা উদ্বিগ্ন হন। অসুস্থ সৌরভ কে দেখতে তাঁর ঘনিষ্ঠ অশোক ভট্টাচার্য শিলিগুড়ি থেকে কলকাতায় এসে ইঙ্গিতে দাবি করেন, রাজনৈতিক মানসিক চাপ পড়েছে।

সেই দাবির পরেই শোরগোল পড়ে। যদিও সিপিআইএম নেতা অশোক ভট্টাচার্যের এই দাবি নিয়ে নীরব সৌরভ গাঙ্গুলী। প্রাক্তন পুরমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, সৌরভ যেন রাজনীতিতে যোগ না দেয়। নির্বাচনের আগে গুঞ্জন, ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ককে প্রচারের মুখ করতে মরিয়া বিজেপি।

এই বিতর্কের মাঝে অশোকবাবুর ইঙ্গিত প্রশ্ন তুলেছে, চাপের মুখে অসুস্থ হয়েছিলেন সৌরভ। বুধবার মহারাজের বাড়ি গিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে ফের সাক্ষাত করেন শিলিগুড়ির বাম বিধায়ক। সৌরভের তোলা সেলফি পোস্ট করে অশোকবাবু জানিয়েছেন সবকিছু ভালোই আছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।