জয়পুর: মধ্যপ্রদেশ সংকট নিয়ে এবার জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে বেনজির আক্রমণ রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলতের। জ্যোতিরাদিত্যের কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের অমর্যাদা হয়েছে বলে মনে করেন গেহলত।

২১ কংগ্রেস বিধায়ককে নিয়ে কংগ্রেস ছেড়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। দল ছাড়া ওই কংগ্রেস বিধায়কদের মধ্যে মধ্যপ্রদেশ মন্ত্রিসভার ৬ সদস্যও রয়েছেন। একসঙ্গে ২২ বিধায়ক দল ছাড়ায় মধ্যপ্রদেশে গদিচ্যুত হওয়ার মুখে মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ। মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস সরকারের পতন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। মধ্যপ্রদেশে কমলনাথ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক খুব একটা মধুর ছিল না জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার। একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারের সমালোচনাও করতে দেখা গিয়েছে জ্যোতিরাদিত্যকে। সম্প্রতি শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেন জ্যোতিরাদিত্য।

প্রকাশ্যে মধ্যপ্রদেশে ভোটের আগে কংগ্রেসের দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথকে নিশানা করেন এই তরুণ রাজনীতিবিদ। তখন থেকেই মিলেছিল ইঙ্গিত। জ্যোতিরাদিত্য দল ছাড়তে পারেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খোলায় জ্যোতিরাদিত্যের সমালোচনাও করেছিলেন কংগ্রেস নেতারা। মধ্যপ্রদেশ সরকারের এক মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শও দিয়েছিলেন জ্যোতিরাদিত্যকে।

তবে কোনও কথাতেই আর আমল দেননি জ্যোতিরাদিত্য। রাজ্যসভার ভোটের আগে ইস্তফা দিয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছেন কংগ্রেসকে। শুধু তিনিই নন, ২১ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে কংগ্রেস ছেড়েছেন জ্যোতিরাদিত্য। বিজেপিতে আসা প্রত্যেককেই সংগঠনের দায়িত্বে আনতে চলেছে গেরুয়া শিবির। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে সম্ভবত রাজ্যসভার সাংসদ করতে চলেছে বিজেপি।