স্টাফ রিপোর্টার, শিলিগুড়ি: বিমল গুরুং ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক ও সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য। তিনি বললেন, তিন বছর ধরে গুরুংকে খুঁজে না পাওয়ার পিছনে দু’পক্ষের মধ্যে বোঝাপড়া আজ স্পষ্ট হলো।

৩ বছরের অজ্ঞাতবাস শেষে প্রকাশ্যে এসে বুধবার চমক দেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। এদিন হঠাৎই কলকাতায় উদয় হন বিমল গুরুং। সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহযোগী রোশন গিরি। এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে গুরুং বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার গোর্খাল্যান্ড গঠনের আশ্বাস দিলেও ৬ বছরে সেই দাবি পূরণ হয়নি। তাই আমরা বিজেপির সঙ্গ ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে গুরুং বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদর্শ নেত্রী। আমরা চাই ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাই মমতাকে। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে লড়তে চাই।

এপ্রসঙ্গে অশোক ভট্টাচার্য বলেন, “এটাই ভবিতব্য ছিল। ২০১১ সালে পাহাড়ে জেতার জন্য গুরুং বাহিনীকে ব্যবহার করেন তৃণমূলনেত্রী। সবরকম কাজে সমর্থন ও মদত দেন। পরে দু’পক্ষের মধ্যে গন্ডগোল বাধলে গাঁটছড়া ভেঙে যায়। কিন্তু তিন বছর ধরে গুরুংকে খুঁজে না পাওয়ার পিছনে দু’পক্ষের মধ্যে বোঝাপড়া আজ স্পষ্ট হলো।”

গুরুংয়ের প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর কটাক্ষ, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং-এর অবস্থা মাওবাদী নেতা কিষেণজির মতো। অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা সময় জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের সঙ্গে আঁতাত করেছিলেন। কিষেণজিকে সঙ্গে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরেই, কিষেণজিকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। অধীর চৌধুরী প্রশ্ন করেন, রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের জন্য আর কত নিচে নামবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।