আসানসোল: আগেরবার অনায়াসেই জয় পেয়েছিলেন মুনমুন। কিন্তু এবার লড়াইটা কঠিন ছিল। যতই মুনমুন দাবি করুন, বাবুল তাঁর কাছে কোনও চ্যালেঞ্জই না, গতবারের সাংসদের সঙ্গে টক্করটা যে সহজ ছিল না, তা এতক্ষণে বুঝে গিয়েছেন একসময়ের সুন্দরী অভিনেত্রী। তাঁর আবেদন ভরা অনুরোধেও সাড়া দেয়নি আসানসোলের মানুষ। ভরসা রেখেছেন পুরনো সাংসদেই।

আর এই হারের পর মুনমুন বলেছেন তাঁর খুব দুঃখ হয়েছে। এতগুলো শাড়িই কিনলেন, অথচ পরা আর হল না, এমন কথাও বলতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিমানিনী মুনমুন বলেছেন, ‘আসানসোলে আর আসব না।’ আর এসব মন্তব্যের পরই কটাক্ষের জবাব ছুঁড়ে দিয়েছেন বাবুল।

এমনিতেই বাবুল তাঁর ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে বারবার তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের ব্যঙ্গ করেছেন। আর প্রতিদ্বন্দ্বী মুনমুন হলে তো কথাই নেই!

মুনমুনের ‘আর আসব না’ শুনে বাবুল লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘আপনি যেভাবে সুপার-এন্টারটেন করেছেন, তার জন্য আসানসোল আপনাকে মনে রাখবে।’

আসলে মুনমুনের বিভিন্ন মন্তব্য বারবারই মুনমুনকে শিরোনামে এনেছে ভোটের মরশুমে। কখনও বাবুল সুপ্রিয়কে বলেছেন ‘বাচ্চা ছেলে।’ আবার কখনও ভোটের ঝামেলার খবর শুনে বলেছেন, ‘বেড টি পাইনি, তাই উঠতে দেরি হয়েছে।’ ভোট চাইতে গিয়ে বলেছেন, ‘মায়ের আত্মার শান্তিরর জন্য আমাকে ভোট দিন।’ সোশ্যাল মিডিয়াব হাসির খোরাক হয়ে উঠেছিলেন বাংলা সিনেমার লেজেন্ড সুচিত্রা সেনের কন্যা।

সেখানেই শেষ করেননি। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা ইস্যুতে বিতর্ক বাড়িয়েছেন সেই মুনমুনই। বলেছেন, ‘ছোট্ট ঘটনা।’

এক্সিট পোল বলেছিল, মুনমুনের জেতার সম্ভাবনা আছে। আর সেটা একরকম হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন বাবুল। শেষ হাসি হেসেছেন তিনিই। তাই ফলাফলের পর শেষবার কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না মুনমুনকে।