নয়াদিল্লি: প্রায় তিন দশক পরে বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতীয়দের হজ কোটা। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সাফল্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এআইএমআইএম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। একইসঙ্গে কেন্দ্রের কাছে নয়া এক দাবিও করেছেন হায়দরাবাদের সাংসদ। হজ যাত্রীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ভরতুকি তুলে দেওয়ার পক্ষে সাওয়াল করেছেন আসাদুদ্দিন।

বুধবার সৌদি আরব এবং ভারতের মধ্যে হয়েছে নয়া হজ চুক্তি। সেই চুক্তি মোতাবেক ভারত থেকে প্রতি বছর হজ যাত্রী কোটা সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৪,৫০০। আগে প্রতি বছর ১,৩৬,০২০ জন ভারতীয় সৌদি আরবের মক্কায় হজ করতে যেতে পারতেন। নয়া চুক্তি অনুসারে এবার থেকে হজে যেতে পারবেন ১,৭০,৫২০। চলতি বছর থেকেই এই নয়া নিয়ম কার্যকর হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি এবং সৌদি আরবের হজ বিষয়ক মন্ত্রী ডাঃ মহম্মদ সালেহ বিন তাহের বেনটেনের বৈঠকের পর এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে।

মোদী সরকারের এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়েছেন আসাদুদ্দিন। সাধারণত কেন্দ্রের যাবতীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতে থাকা আসাদুদ্দিন ট্যুইটারে লিখেছেন, “ভারতীয় জন্য হজ কোটা ১.৩০ লক্ষ থেকে ১.৭০ লক্ষ করেছে সৌদি আরব। আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি।” এরপরেই তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভির উদ্দেশ্যে লিখেছেন, “অনুগ্রহ করে হজ যাত্রার জন্য ৬৯০ কোটি টাকা ভরতুকি তুলে দিন। এবং সেই অর্থ নারী শিক্ষার জন্য ব্যয় করার ব্যবস্থা করুন।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।