নয়াদিল্লি: কোভিড-১৯ বদলেছে আমাদের জীবন৷ এখন আমরা অভ্যস্ত ‘নিউ নর্ম্যালে’৷ আমরা কোনও দিন ভাবতেও পরিনি এমন বিশ্বের কথা, যেখানে অফিসের কাজ হবে বাড়িতে বসে আর পড়ুয়ারা স্কুলে না গিয়ে ক্লাস করবে অনলাইনে৷ তবে গত মার্চ মাস থেকে চলা এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে চলেছে ভ্যাকসিনের হাত ধরে৷ সব কিছু আবার স্বাভাবিক হবে এমনটাই আশ্বাস বিশেষজ্ঞদের৷ আবার খুলবে স্কুল৷ ব্যাগ পিঠে স্কুলে যাবে পড়ুয়ারা৷

করোনা সংক্রমণে মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ৷ বহু পড়ুয়াই প্যামন্ডেমিকের সময় হোস্টেল ছেড়ে নিজের গ্রাম বা শহরে ফিরে গিয়েছিলেন৷ তারা ফের ফিরবে শিক্ষাকেন্দ্রগুলিতে৷ বন্ধ পড়ে থাকা ক্লাস ঘর, ক্যান্টিন, লাইব্রেরি আবার খুলে যাবে৷

তবে সংক্রমণ এড়াতে কোভিড বিধি মেনে চলা আবশ্যক৷ বেঙ্গালুরুর মনিপাল হাসপাতাল হোয়াইটফিল্ডের চিকিৎসক ড. রেশু আগরওয়াল বলেন, ‘‘ছাত্রছাত্রীরা দূর থেকে সফর করে স্কুল-কলেজে আসবে৷ তাই সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বর করা প্রয়োজন৷ কারণ এখনও ভ্যাকসিন সকলের কাছে পৌঁছতে সময় লাগবে৷’’

কোভিড সংক্রমণ রুখে কী কী পদক্ষেপ করতে হবে-

• সর্বত্র সোশ্যাল ডিসেন্টেন্সিং মেনে চলবে হবে৷ এমনকী ক্লাসরুমেও চেয়ার-ডেস্ক এর মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে৷

• স্বল্প সংখ্যক পড়ুয়া নিয়ে ক্লাস বা যে কোনও অনুশীলন করতে হবে৷ ক্যান্টিন ও মেসের মধ্যে কড়া নিয়ম মেনে চলবে হবে৷ কোনও জায়গায় ভিড় জমানো যাবে না৷

• মাস্ক পরা ও নির্দিষ্ট সময় অন্তর স্যানিটাইজ করা বাধ্যতামূলক৷

• প্রতিটি ক্লাস ঘরে ঢোকার মুখে স্যানিটাইজেশনের বন্দোবস্ত করতে হবে৷ রাখতে হবে ওয়াশ বেসিন৷

• নিয়মিতভাবে শিক্ষক-শিক্ষিকা/অধ্যাপক এবং পড়ুয়াদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে৷

• যদি কারও মধ্যে মৃদু উপসর্গও দেখা যায়, তাহলে রিপোর্ট করতে হবে৷ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইসোলেশনে থাকতে হবে এবং কনট্রাক্ট ট্রেসিং করতে হবে৷

• প্রত্যেককে প্রতিদিন স্নান করতে হবে৷ দিনের শেষে সঠিক পদ্ধতিতে হাত ও পা ধুতে হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।