স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : উত্তরবঙ্গের বর্ষা বাঁচিয়ে রেখেছে রাজ্যের বৃষ্টির পরিমাপকে। দক্ষিণে দফায় দফায় বৃষ্টি হলেও তা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির বেশি কিছু দিচ্ছে না। এরই মাঝে কেন্দ্রীয় হাওয়া অফিস জানাল এই মরসুমে পশ্চিমবঙ্গে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার সময়সীমা। ভারতের অন্যন্য প্রান্ত থেকে এই মাসেই বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হলেও বাংলায় তা এখন হচ্ছে না। এমনটাই জানাচ্ছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা।

এ রাজ্যের বর্ষার নির্ঘণ্ট সম্পর্কে কী জানাচ্ছে দিল্লির হাওয়া অফিস। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, বাংলায় বর্ষা-বিদায় এখনও কিছুটা দেরি রয়েছে। মৌসম ভবন এর পুরনো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কলকাতা থেকে বর্ষার বিদায় নেওয়ার কথা ১৪ অক্টোবর যদিও নতুন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বর্ষা বিদায় নেবে ১২ অক্টোবর। একইভাবে বাংলার শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি থেকেও বর্ষা ১২ অক্টোবর বিদায় নেবে বলে নতুন ক্যালেন্ডারের দিনক্ষণ। সিকিমের গ্যাংটক থেকে ৯ অক্টোবর বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

রবিবার সকাল পর্যন্ত আসানসোলে ০.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বাঁকুড়ায় ৬.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, বর্ধমানে ৩.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, ক্যানিংয়ে ৩.০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, দিঘায় ০.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, ডায়মন্ড হারবারে ১০.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, হলদিয়ায় ৫৫.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, কলাইকুন্ডায় ২১.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, পানাগড়ে ২.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।

রবিবার সকাল পর্যন্ত কোচবিহারে সর্বোচ্চ ২১৪.৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, জলপাইগুড়িতে ৮০.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, শিলিগুড়িতে ৮০.০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, কালিম্পং-এ ২৪.০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, দার্জিলিঙে ১৯.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, মালদহে ১২.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে রবিবার ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে। অর্থাৎ এখানে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে এই তিন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

রবিবার সকাল পর্যন্ত ০.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় কলকাতায়। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির পরিমান .০৭ মিলিমিটার। ১.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় দমদমে, ১.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় সল্টলেকে। বৃষ্টিতে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকই ছিল শনিবার। যা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৭৭ শতাংশ।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।