নয়াদিল্লি: ট্রেন মানেই নোংরা টয়লেট। এতদিন ধরে ভারতীয় রেলের ক্ষেত্রে এমনটাই ধারনা তৈরি হয়েছে। তবে এবার সেই ধারনা বদলে ফেলতে চলেছে রেল। বায়ো-টয়লেট তৈরির পাশাপাশি টয়লেট পরিষ্কার রাখতে আরও অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ট্রেনের বাথরুমে অনেকেই ব্যবহার করা জিনিসপত্র ফেলে আসেন। স্যানিটারি ন্যাপকিন, বোতল, প্লাস্টিক ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায় সেখানে। তাই এবার রেলের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বাথরুমে বসিয়ে দেওয়া হবে ডাস্টবিন।

একাধিক ট্রেনের মোট ৪০,২৮৩টি ট্রেনে এই ডাস্টবিন বসিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। এর ফলে টয়লেটও নোংরা হবে না আর রেল ট্র্যাকেও

এর আগে রেল ঘোষণা করেছিল, ২০২০-২১ সালের মধ্যে প্রতিটি ট্রেনের শৌচাগারকে বায়ো-টয়লেটে রূপান্তরিত করা হবে। আর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অ্যাকশন প্ল্যানও তৈরি করা হয়ে গিয়েছে।

অ্যাকশন প্ল্যান অনুযায়ী, নতুন যে কোচগুলি তৈরি হচ্ছে বা হয়েছে, সেগুলিতে বায়ো-টয়লেট বসানোর কাজ আগামী ২০১৬-১৭-র মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। ‘স্বচ্ছ রেল স্বচ্ছ ভারত’ প্রকল্পের অধীনে এই কাজ হচ্ছে। এ জন্য দূরপাল্লার ট্রেনগুলিতে মোট ১৭ হাজার বায়ো-টয়লেট বসানো হবে। পুরনো নিয়মের শৌচাগারগুলিতে বর্জ্য সরাসরি রেল লাইনে জমা হয়। কিন্তু এর ফলে পরিবেশ দূষণের সমস্যা যেমন রয়েছে, তেমনই রেলওয়ে ট্র্যাকগুলিও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন অর্থাৎ ডিআরডিও-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রেল দূষণরোধী গ্রিন টয়লেট তৈরি করছে। ২০২০-২১সালের মধ্যে অবশিষ্ট ১৭ হাজার ৩৩৮টি ট্রেনে বায়ো-টয়লেট তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও