নয়াদিল্লি: ক্রমেই কি এগিয়ে আসছে নির্ভয়া কাণ্ডে অভিযুক্তদের ফাঁসির দিন, এমনটাই জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে যত দিন এগিয়ে আসছে ভাঁজ পড়ছে জেল কতৃপক্ষের কপালে। কেননা অভিযুক্তদের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হলেও পাওয়া যাচ্ছে না কোন ফাঁসুড়ে। তবে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে তিহার জেল কতৃপক্ষের কমতে চলেছে ফাঁসুড়ে সংক্রান্ত চিন্তা। কেননা উত্তরপ্রদেশের থেকে তিহারে যাবেন এক ফাঁসুড়ে। তিনি যাবেন মিরাটের জেল থেকে ।

বুধবার তিহার জেল কতৃপক্ষ উত্তরপ্রদেশের ডিজিকে ফাঁসুড়ে সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে সেই চিঠির উত্তরে তিহার জেল কাকে ফাঁসি দিতে চলেছে সেই বিষয়ে চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখেছিল।

প্রত্যুত্তরে তাঁদের পাঠানো চিঠিতে লেখা ছিল বেশ কিছু অপরাধী যাদের শোধরানোর কোন জায়গা নেই তাদেরকে ফাঁসি দেওয়া হবে। কিন্তু পরিষ্কার করে কাকে ফাঁসি দেওয়া হবে তা জানানো হয়নি। উত্তরপ্রদেশে এই মুহূর্তে দুজন ফাঁসুড়ে রয়েছেন। তবে মিরাট জেল থেকে পবন কুমারকে পাঠানো হবে তিহারে। এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে তিহারে কোন ফাঁসুড়ে নেই। যে কারণে তিহার জেল কতৃপক্ষ দেশের অন্যান্য জেল থেকে ফাঁসুড়ে নিয়ে কথা বলছেন।

এর মাঝে তামিলনাড়ুর রামনাথপুরাম জেলার এক হেড কনস্টেবল তিহার জেলের ডিজিপির কাছে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এই কাজের জন্য। এছাড়াও তিহার জেলে ফাঁসুড়ে সংক্রান্ত সমস্যা মেটানোর জন্য এস সুভাষ শ্রীনিবাস এই দায়িত্ব পালন করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

সেই চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন এই কাজের জন্য তাঁকে টাকা দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ এই মুহূর্তে তিহার জেলের আধিকারিকেরা ফাঁসুড়ে সমস্যাতে জর্জরিত তা প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়াও আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে স্কুল ছাত্রী হেতাল পারেখকে খুন এবং ধর্ষণ করার অপরাধে ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়কে ফাঁসি দিয়েছিলেন প্রয়াত নাটা মল্লিক। তাঁর ছেলে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এই দায়িত্ব পালন করার জন্য।

মিরাটের এই ফাঁসুড়ে শিরোনামে আসেন ২০১৫ সালে। নিজের প্রাপ্য বেতন পাওয়ার জন্য এক অফিস থেকে অন্য অফিসে যাওয়া নিয়ে শিরোনামে আসেন তিনি। সংবাদ মাধ্যমের সামনে জানিয়েছিলেন তিনি মাসিক ৩০০০ টাকা পান তাও সঠিক সময়ে নয়। আর এই পবন কুমার দেশের রেজিস্টার্ড ফাঁসুড়েদের মধ্যে অন্যতম।