স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তিন বছরের শিশু৷ খেলতে খেলতে পায়ে পেরেক ফোটে যায়৷ যন্ত্রনায় সে কাটরাতে থাকে৷ বাবা-মা নিয়ে ছুটেন স্থানীয় হাসপাতালে৷ পরপর দু’টি সরকারি হাসপাতাল ঘুরে আসেন এনআরএস হাসপাতালে৷ সেখান থেকে তাকে বাড়ি ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়৷ একদিন পরে ওই শিশুকে ভর্তি নেওয়া হল এনআরএস হাসপাতালে৷ আগামীকাল তার অপারেশন হবে বলে জানাল পরিবার৷

উত্তর ২৪ পরগণার জেলার সোদপুর পানিহাটির বাসিন্দা সুরজিৎ৷ বয়স তিন৷ মঙ্গলবার বিকালে বাড়ির উঠনে খেলতে খেলতে ডান পায়ে একটি পেরেক ফোটে যায়৷ সঙ্গে সঙ্গে তাকে কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে এক্সরে করে দেখা যায় তার পায়ে একটি পেরেক ফোটে আছে৷ পরিবারের অভিযোগ, সেখান থেকে তাকে রেফার করা হয় আর জি কর হাসপাতালে৷ বলা হয়, সাগর দত্ত হাসপাতালে এই চিকিৎসার পরিকাঠামো নেই৷ আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, শিশু চিকিৎসক নেই৷

এরপর পায়ে পেরেক ফোটা অবস্থায় তিন বছরের শিশুটি নিয়ে আসা হয় এনআরএস হাসপাতালে৷ ততক্ষণে পা ফোলে গিয়ে যন্ত্রণায় শিশুটি কাঁন্না করতে থাকে৷ তবুও তাকে বাড়ি ফেরত পাঠান হয়৷ বলা হয় পরের দিন আউট ডোরে এনে দেখাতে৷ বুধবার যথারীতি এনআরএস হাসপাতালে তাকে নিয়ে আসা হয়৷

কখনও সার্জারী বহি:বিভাগ, কখনও আবার অর্থপেডিক বিভাগে নিয়ে যেতে বলা হয়৷ চিকিৎসার নামে চুড়ান্ত হয়রানির শিকার হন তারা৷ অবশেষে ওই শিশুটিকে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া হয়৷ সে এখন জরুরী বিভাগের ৭ তলায় শুয়ে প্রহর গুনছে কখন তার পা থেকে পেরেকটি বের করা হবে৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ