নয়াদিল্লি : সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী জানান করোনা ভ্যাকসিনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকবেই। যে কোনও ওষুধেরই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকে, সেটা যতই জনপ্রিয় ও কার্যকরী হোক না কেন। তাই করোনার ভ্যাকসিনও এর ব্যতিক্রম নয়।

মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী জানান, করোনা ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকবেই, তা সরকার যে কোম্পানির ভ্যাকসিনকেই অনুমোদন দিক না কেন। উল্লেখ্য অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন আগামী বছরের শুরুতেই ভারতে লঞ্চ করা হবে বলে জানানো হয়।

এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে ভ্যাকসিনের কার্যকারীতা ও সহজলভ্যতার বিষয়ে আলোচনা চলে। মোদী বলেন ভ্যাকসিন তৈরির গতি বৃদ্ধি হলে তার কার্যকারীতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। আর ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিয়ে কোনও আপোষ করা হবে না। তাই গতি ও মান দুটোই সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে ভারত সঠিক পথে চলছে বলে আশাপ্রকাশ করে মোদী বলেন ২০ বছর ধরে গবেষণা করে যে অত্যন্ত কার্যকরী ও জনপ্রিয় ওষুধ বের করা হয়েছে, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সেই ওষুধেও রয়েছে। তাই ভয় না পেয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন এখনও পর্যন্ত কোন ভ্যাকসিনকে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হবে, তা জানা যায়নি। তার দাম কত হবে বা কীভাবে তা সরবরাহ করা হবে, সে বিষয়ে ভাবনা চিন্তা চালাচ্ছে সরকার। তবে ভ্যাকসিন মজুত রাখার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে হিমঘর তৈরি রাখার কথা জানানো হয়েছে রাজ্যগুলিকে।

এদিকে, ডিসেম্বরের শুরুতেই যদি অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়ালের ফল পজিটিভ হয়, তবেই ভ্যাকসিন বাজারে অনুমোদনের পরেই নিয়ে আসা হবে। এমনই আশার কথা শুনিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা।

এই সংস্থা জানাচ্ছে অক্সফোর্ডের কোভিশিল্ড মানব শরীরে ৯০ শতাংশ কার্যকরী প্রমাণিত হবে। যতগুলি ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বে কাজ হচ্ছে, তার মধ্যে অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিনটি সবথেকে বেশি কার্য়করী ও নিরাপদ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই সম্ভবত তৈরি হয়ে যেতে পারে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভ্যাকসিন।

ভারতে এই ভ্যাকসিনের ওপর কাজ করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তৈরি হয়ে যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সেরাম প্রধান আদর পুনাওয়ালা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।