হাওড়া: কলকাতার পর হাওড়া শহরেরও বিভিন্ন এলাকায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়েছে। যা নিয়ে শাসক তৃণমূলের অন্দরে নয়া জল্পনা ছড়িয়েছে। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মন্ত্রী অরূপ রায়। এক দলে থাকলেও বরাবরই অরূপ রায়ের সঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক অম্লমধুর।

রবিবারই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে পোস্টার পড়ে। শ্যামবাজার, গিরিশ পার্ক, কাঁকুড়গাছি, উল্টোডাঙা-সহ উত্তর কলকাতারও বিভিন্ন জায়গায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সহ “কাজের মানুষ-কাছের মানুষ”, “সততার প্রতীক” লেখা পোস্টার দেখা গিয়েছে।

যা নিয়ে শাসকদল তৃণমূলের অন্দরে নয়া জল্পনা ছড়িয়েছে। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দলের দূরত্ব বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ-কেউ। যদিও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি।

কলকাতার পাশাপাশি এবার হাওড়া শহরেরও বিভিন্ন এলাকায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে পোস্টার লাগানো হয়েছে। এপ্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূলের হাওড়া সদরের চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, ‘‘এজেন্সিকে পয়সা দিলে সারা শহর জুড়ে, রাজ্য জুড়ে বা সারা দেশ জুড়েও ব্যানার লাগানো যায়। কে কি ব্যানার লাগালো তাতে কিছু আসে যায় না। আমার কাজটাই আসল।’’

দল তৃণমূলের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা শুরুর দিনেও যেমন ছিল, আজও তেমন আছে, এমনই জানিয়েছেন অরূপ রায়।

দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আস্থা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, ‘‘প্রথম দিন থেকে দল করে আসছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছি। দীর্ঘ দিন, দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছি। কিন্তু কোনওদিন দলের বিরুদ্ধে এই ধরনের কথা বলিনি। মা’ও বলিনি। মাকে গালাগালিও দিইনি। যারা মাকে গালাগালি করে তাঁদের সম্বন্ধে কি বলব। দিলীপ ঘোষের মতো একজন উচ্ছৃঙ্খল নেতা যদি কাউকে প্রশংসা করে সার্টিফিকেট দেন সেটা তাঁর ডিমোশান।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।