কলকাতা: উডল্যান্ডস হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়৷ তবে আগামী ৭ দিন তাকে বাড়িতে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা৷

হাসপাতাল সূত্রে খবর, সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় এর একটি আর্টারিতে ব্লক ছিল,সেখানে স্টেন্ট বসানো হয়েছে৷ এখন উনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন৷ তবে কিছুদিন বাড়িতে বিশ্রামে থাকতে হবে৷ তাছাড়া হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে মন্ত্রী নিজেও জানিয়েছেল তিন ফিট৷

গত রবিবার ভোরে আচমকাই শ্বাসকষ্ট এবং বুকে ব্যাথা অনুভব করেন সমবায় মন্ত্রী৷ তাঁকে তড়িঘড়ি ভরতি করা হয় উডল্যান্ডস হাসপাতালে। চিকিৎসকরা রুটিন চেকআপ করার পর পরিবারকে জানান,অরূপবাবুর হৃদযন্ত্রে অসুবিধা রয়েছে৷ ফলে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়৷ ওই মেডিকেল বোর্ডই তাকে সুস্থ করে তোলেন৷

অন্যদিকে, রাজনৈতিক জল্পনা উস্কে অরূপ রায়কে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, এর মধ্যে রাজনীতি খুঁজবেন না। উনি আমার নেতা। ওনাকে সম্মান জানাই। তবে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরুন উনি। এটাই আমরা চাই। তবে তাঁর উপর কোনও চাপ রয়েছে কিনা সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রত্যেক রাজনীতিবিদদের উপর বিভিন্ন চাপ থাকে। ওনার উপরেও ছিল হয়তো!

এছাড়া অসুস্থ অরূপ রায়কে দেখতে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা,মঙ্গলবার বিকেলে অসুস্থ অরূপ রায়কে দেখতে আচমকাই হাসপাতালে পৌঁছন লক্ষ্মী। বেশ কিছুক্ষণ হাসপাতালে সময় কাটান তিনি। বেরিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে লক্ষ্মী বলেছিলেন, এর মধ্যে অন্য কিছু নেই। অরূপ বাবুকে দেখতে এসেছিলাম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।