স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া : তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দলবদলের হাজার জল্পনার মাঝে জল ঢাললেন তৃণমূলের আরও এক হেভিওয়েট মন্ত্রী। বেশ কিছুদিন ধরেই শুভেন্দু অধিকারীর গড় মেদিনীপুর জেলা ছাড়িয়ে শত মাইল দূরে হাওড়া জেলাতেও পড়েছে তাঁর নামাঙ্কিত ‘আমরা দাদার অনুগামী’র পোস্টার। আর যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন। তাহলে কি এবার দল ছাঁড়বেন শুভেন্দু অধিকারী?

তবে শনিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে পরিবহন মন্ত্রীর দল ছাঁড়ার যাবতীয় জল্পনাকে কার্যত নস্যাৎ করে দিলেন রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়।

এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, “কারা এইসব হোর্ডিং লাগিয়েছে জানি না। তাতে দলনেত্রীর ছবি নেই কিনা দেখিনি। শুভেন্দু অধিকারী গতকালও বলেছেন উনি দলের মধ্যেই আছেন। দলের সদস্য হিসাবে আছেন। মন্ত্রিসভায় আছেন। সুতরাং এই নিয়ে আমি বিতর্ক তুলতে রাজি নই।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা দাদার অনুগামী, বলে কারা এসব করছে জানি না। এর পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে কিনা বলতে পারব না। খতিয়ে দেখতে হবে।”

উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং দেখা যাচ্ছে হাওড়া শহরেও। হোর্ডিংগুলির নিচে লেখা “আমরা দাদার অনুগামী”। হোর্ডিংয়ের উপরে লেখা “চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির।” শুভেন্দুকে একজন “দক্ষ প্রশাসক, দক্ষ সংগঠক, উদার ও নির্ভীক জননেতা এবং বঙ্গের বন্ধু” হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়াও হোর্ডিংয়ে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া শহরের এইসব হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।